ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি?
প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে। যেমনঃ
১.ধ্বনি(Sound)
২.শব্দ(Word)
৩.বাক্য(Sentence)
৪.অর্থ( Meaning)
Related Questions
বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি।
এই চারটি প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো:
ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology): এতে ধ্বনির উচ্চারণ, বিন্যাস এবং পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology): এতে শব্দ গঠন, শব্দের প্রকারভেদ, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস, কারক ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax): এতে বাক্যের গঠন, পদের বিন্যাস এবং বাক্য গঠনের নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়.
অর্থতত্ত্ব (Semantics): এতে শব্দের অর্থ, বাক্যের অর্থ এবং অর্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণকে ব্যাকরণের একটি শ্রেণি বলে মনে করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
ভাষ্বাচার্য ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ব্যাকরণকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন:
১. বর্ণনামূলক ব্যাকরণ (Descriptive Grammar)
২. ঐতিহাসিক ব্যাকরণ (Historical Grammar)
৩. তুলনামূলক ব্যাকরণ (Comparative Grammar)
৪. দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণ (Philosophical-Critical Grammar)
তাঁর মতে, এই শ্রেণির ব্যাকরণে ভাষার অন্তর্নিহিত চিন্তাপ্রণালী আবিষ্কার এবং তার ওপর ভিত্তি করে ভাষার রূপের উৎপত্তি ও বিবর্তন কীভাবে ঘটে, তার বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- তবে সাধু ও চলিত রীতিতে অব্যয় অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
পুরাতন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুসারে, ‘বাগধারা’ বাক্যতত্ত্বের আলোচিত বিষয়। অপরদিকে, নতুন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুসারে, ‘বাগধারা’ অর্থতত্ত্বের আলোচিত বিষয়।
ব্যাকরণের রূপতত্ত্ব অংশে কারক সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া রূপতত্ত্বের অন্যান্য আলোচ্য বিষয়সমূহ হলো - শব্দ, শব্দরূপ, প্রত্যয়, পুরুষ, উপসর্গ, অনুসর্গ, সমাস, বচন, লিঙ্গ, পদ ইত্যাদি
জব সলুশন