মানবদেহে শব্দ উৎপন্ন করে-?
মানবদেহে শব্দ মূলত স্বরযন্ত্র বা ভোকাল কর্ডের (Vocal Cord) কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। ইংরেজিতে একে Larynx বলা হয়।
Related Questions
ধ্বনির উচ্চারণে মানবশরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে বাগযন্ত্র(speech organ/vocal organ) বা বাকপ্রত্যঙ্গ বলে। আমাদের শরীরের উপরের প্রত্যঙ্গগুলো বাগযন্ত্র হিসেবে পরিচিত।
ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়。মুখ থেকে নিঃসৃত আওয়াজ বা ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকেই ব্যাকরণে বর্ণ (Letter) হিসেবে অভিহিত করা হয় l
বর্ণ প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত:
স্বরবর্ণ: যে ধ্বনিগুলো অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হয়, তাদের লিখিত সাংকেতিক চিহ্ন。
ব্যঞ্জনবর্ণ: যে ধ্বনিগুলো স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না, তাদের লিখিত রূপ。
- বিভিন্ন ধ্বনিকে লেখার সময় বা নির্দেশ করার সময় যে চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়ে থাকে সাধারণত তাকে বর্ণ বলা হয় ।
- বাংলা ভাষায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে । অপরদিকে এককথায় বর্ণ কাকে বলে বলতে গেলে, “ধ্বনির লিখিত বা সাংকেতিক রূপকে বলা হয় বর্ণ “।
বাংলা বর্ণমালায় যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস আংশিকভাবে নাক দিয়ে নির্গত হয়, সেগুলোকে নাসিক্য (বা অনুনাসিক) বর্ণ বলা হয়। প্রধান নাসিক্য বর্ণগুলো হলো: ঙ, ঞ, ণ, ন, এবং ম
বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি পাঁচটি।
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণকালে শ্বাসের বায়ু মুখ দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য বা আনুনাসিক ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়। ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী 'ল' একটি দন্ত্য বর্ণ। তবে সুনির্দিষ্টভাবে এর উচ্চারণটি দন্তমূলীয় হিসেবেও পরিচিত। এর কারণ হলো, 'ল' উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ ওপরের পাটির দাঁতের গোড়া বা মূল স্পর্শ করে।
জব সলুশন