নিচের কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ ?
'গিন্নি' একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে এটি এসেছে। সংস্কৃত 'গৃহিণী' শব্দটি প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে গিন্নি বা গৃহিণী-তে রূপ নেয়। অর্ধ-তৎসম মানে হলো আধা-সংস্কৃত। যেসকল তৎসম শব্দ প্রাকৃতের প্রভাবে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বলে। অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ: গৃহিণী \গিন্নি,শ্রাদ্ধ \ছেরাদ্দ,সূর্য \সুজ্যি,বৈষ্ণব \বোষ্টম,পিত্তল \পিতল l
Related Questions
সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই সমাসের রীতিটি বাংলা ব্যাকরণের 'রূপতত্ত্ব' অংশে আলোচিত হয়। সমাসের আক্ষরিক অর্থ হলো 'সংক্ষেপণ', 'মিলন', বা 'একাধিক পদের একপদীকরণ' (যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' = 'সিংহাসন')।
”মনস্তাপ” - এর সন্ধি বিচ্ছেদ মনোঃ + তাপ। বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিসধ্বনি হয়। অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিস ধ্বনি হয়, অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জন এর স্থলে দন্ত্য শিস ধ্বনি হয়।
শুদ্ধ বানান হলো শিরশ্ছেদ (শ-ই-র-শ্-ছ-এ-দ)। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি শব্দ। সন্ধি বিচ্ছেদটি হলো: শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ l নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ এর পর যদি 'ছ' থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পেয়ে তার স্থলে একটি 'শ্ছেদ' যুক্ত হয়। তাই সঠিক শব্দ লিখতে সবসময় শ্ছেদ ব্যবহার করতে হবে। শিরোচ্ছেদ, শিরচ্ছেদ বা অন্য কোনো বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
'শ্রবণ' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: √শ্রু + অনট (বা অন)
এখানে: প্রকৃতি: √শ্রু (ধাতু - যার অর্থ শোনা)
প্রত্যয়: অনট বা অন (কৃত প্রত্যয়) .
‘হাত ধুয়ে বসা’ বাগধারার অর্থ হলো সাধু সাজা বা ভণ্ডামি করা, বিশেষ করে কোনো কাজ শুরু করার আগে বা কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার আগে নিজেকে সাধু বা নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করা।
'গিন্নি' এবং 'কেষ্ট' শব্দ দুটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে লোকমুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে।
গিন্নি: এটি সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে এসেছে।
কেষ্ট: এটি সংস্কৃত শব্দ 'কৃষ্ণ' থেকে এসেছে l
জব সলুশন