বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায় ?

ক) চট্টগ্রাম
খ) পাকশি
গ) সৈয়দপুর
ঘ) আখাউড়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত [১, ৪]। ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা [৫] দেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রধান রেলওয়ে ওয়ার্কশপ, যেখানে রেলওয়ে কোচ ও ওয়াগনের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ করা হয়

Related Questions

ক) ময়নামতি
খ) পাহাড়পুর
গ) মহাস্থানগড়
ঘ) সোনারগাঁও
Note :

বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র হলো মহাস্থানগড় । এটি বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত, যা খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতক বা তার আগের (প্রায় ৩০০০ বছরের পুরনো) ‘পুণ্ড্রবর্ধন’ বা ‘পুণ্ড্রনগর’ নামে পরিচিত ছিল । এটি বাংলার প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ দুর্গ নগরী

ক) মু+ক্ত
খ) মহ+ক্ত
গ) মুচ+ক্ত
ঘ) মৃচ+ক্ত
Note :

’মুক্ত’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো মুচ্ + ক্ত (কৃৎ প্রত্যয়)।এখানে 'মুচ্' হলো ধাতু (প্রকৃতি) এবং 'ক্ত' হলো প্রত্যয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মুচ্' ধাতুর সাথে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মুক্ত' শব্দটি গঠিত হয়।

 

ক) ৯টি
খ) ১০টি
গ) ১১টি
ঘ) ১২টি
Note :

বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট ১২টি যতি বা ছেদ চিহ্ন (বিরাম চিহ্ন) রয়েছে। বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং লেখার সময় বিরতি বোঝাতে এই চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়।

১২টি যতি চিহ্নের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।) – থামার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি

কমা (,) – এক বলতে যে সময় লাগে

সেমিকোলন (;) – কমার দ্বিগুণ সময়

প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?)

বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!)

কোলন (:) – এক বলার দ্বিগুণ সময়

কোলন ড্যাশ (:-)

ড্যাশ (—)

হাইফেন (-)

উদ্ধরণ চিহ্ন বা ইনভার্টেড কমা (“ ”)

লোপ চিহ্ন বা ইলেক (') – থামার প্রয়োজন নেই

বন্ধনী চিহ্ন ( ), { }, [ ] – প্রধানত প্রথম বন্ধনী ( ) বেশি ব্যবহৃত হয় 

ক) উপসর্গ
খ) অনুসর্গ
গ) সমাস
ঘ) সন্ধি
Note :

পাশাপাশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাকরণে সন্ধির প্রধান কাজ হলো কথা বলার সময় উচ্চারণ সহজ করা এবং ভাষার ধ্বনিগত মাধুর্য বৃদ্ধি l

ক) ডাক টিকিট
খ) পোস্টাল কোড
গ) প্রেরকের ঠিকানা
ঘ) প্রাপকের ঠিকানা
Note :

শিরোনামের প্রধান অংশ প্রাপকের ঠিকানা । একটি পত্রে প্রধানত দুটি অংশ থাকে। যথা : ১. পত্রগর্ভ বা অন্তর্ভাগ ২. পত্রের বহির্ভাগ বা শিরোনাম । এটি পত্রের বাইরের অংশ, এতে পত্র প্রাপকের নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে এবং সে অনুযায়ী পত্রটি প্রাপকের হাতে পৌঁছায়।

ক) গিন্নি
খ) হস্ত
গ) গঞ্জ
ঘ) তসবি
Note :

'গিন্নি' একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে এটি এসেছে। সংস্কৃত 'গৃহিণী' শব্দটি প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে গিন্নি বা গৃহিণী-তে রূপ নেয়। অর্ধ-তৎসম মানে হলো আধা-সংস্কৃত। যেসকল তৎসম শব্দ প্রাকৃতের প্রভাবে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বলে। অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ: গৃহিণী \গিন্নি,শ্রাদ্ধ \ছেরাদ্দ,সূর্য \সুজ্যি,বৈষ্ণব \বোষ্টম,পিত্তল \পিতল l

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন