'ঘরের শত্রু বিভীষণ' বাগধারাটির অর্থ ---
'ঘরের শত্রু বিভীষণ' বাগধারাটির অর্থ হলো গৃহশত্রু বা যে আপনজন হয়েও শত্রুর কাজ করে (অর্থাৎ, নিজের দলের বা পরিবারের ভেতরের শত্রু)。 [1, 2, 3]
রামায়ণে রাবণের ছোট ভাই বিভীষণ নিজের ভাই ও পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে রামচন্দ্রকে সাহায্য করেছিলেন। এই পৌরাণিক কাহিনীর সূত্র ধরেই পরিবার বা দলের ভেতরের গোপন শত্রুকে বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়。
Related Questions
বাংলা গদ্যের জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম সার্থক রূপ দেন, যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন এবং বাংলা ভাষার গদ্যরীতিকে সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছিলেন ।
কাজী নজরুল ইসলাম বেশ কয়েকটি বিখ্যাত পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও তাঁর নিজ সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলো হলো: [1]
ধূমকেতু: এটি তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবচেয়ে আলোচিত ও বিদ্রোহী পাক্ষিক পত্রিকা।
লাঙল: এটি ছিল তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বামপন্থী-সাহিত্যিক পত্রিকা।
দৈনিক নবযুগ: এটি তিনি কমরেড মুজফ্ফর আহমদের সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।
একটি আদর্শ ব্যক্তিগত পত্রে সাধারণত ৬টি অংশ থাকে । অংশগুলো নিচে ক্রমানুসারে দেওয়া হলো:
১. মঙ্গলসূচক শব্দ: চিঠির শুরুতে ঈশ্বর বা আল্লাহর নাম স্মরণ করে কোনো মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য (যেমন: 'আল্লাহ মহান', 'শ্রী শ্রী হরি সহায়') লেখা।
২. স্থান ও তারিখ: পত্র লেখকের ঠিকানা এবং পত্র লেখার তারিখ। এটি সাধারণত চিঠির ওপরের ডান দিকে লেখা হয়।
৩. সম্ভাষণ বা সম্ভোধন: প্রাপক ও লেখকের সম্পর্ক অনুযায়ী সম্বোধন করা (যেমন: 'শ্রদ্ধেয় বাবা', 'প্রিয় বন্ধু', 'স্নেহের ছোট ভাই')।
৪. মূল বিষয় (পত্রগর্ভ): এটি চিঠির মূল অংশ। এখানে সাধারণত তিনটি অনুচ্ছেদ থাকে— সূচনা, মূল বক্তব্য (খবরাখবর আদান-প্রদান) এবং উপসংহার বা বিদায় সম্ভাষণ।
৫. নিবেদন ও স্বাক্ষর: পত্র লেখকের নাম ও প্রাপকের সঙ্গে তার সম্পর্ক নির্দেশক শব্দ (যেমন: 'ইতি— তোমার স্নেহের পুত্র')।
৬. শিরোনাম/খাম: চিঠির খামের ওপর প্রাপক ও প্রেরকের নাম এবং ঠিকানা সুন্দরভাবে লেখা।
একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ হল সৌভাগ্যের বিষয় । পোয়াবারো বাগধারাটির অর্থ সৌভাগ্য ।
ক্রিয়া পদের সঙ্গে নাম পদের সম্পর্ককে কারক বলে। বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ হতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, ভীত ও রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। চেনার উপায়: ‘হতে’, ‘থেকে’, ‘চেয়ে’ অনুসর্গ বা বিভক্তি চিহ্ন দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
এখানে ‘গাড়ী স্টেশন ছাড়ল’ বলতে বোঝায় গাড়িটি স্টেশন থেকে বিচ্যুত হয়েছে বা চলে গেছে। কোনো স্থান থেকে বিচ্যুত হওয়া বোঝালে সেটি অপাদান কারক হয়। তাই ‘স্টেশন’ শব্দটি অপাদান কারক।
বাক্যের শেষে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোকে প্রান্তিক বা অন্ত্য বিরাম চিহ্ন বলা হয় ।
প্রান্তিক বিরামচিহ্ন ৩টি। : দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।), প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) এবং বিস্ময়বোধক চিহ্ন (!) ।
জব সলুশন