. ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ---
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি।
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।
Related Questions
বাংলা ব্যাকরণে কণ্ঠ বা জিহ্বামূল থেকে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়। এদের উচ্চারণ স্থান হলো কণ্ঠনালী বা জিহ্বার গোড়া। [1]
কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহ:
স্বরধ্বনি: অ, আ
ব্যঞ্জনবর্ণ (ক-বর্গীয়): ক, খ, গ, ঘ, ঙ
অন্যান্য ব্যঞ্জনধ্বনি: হ, ঃ (বিসর্গ) [1, 2]
'টীকা ভাষ্য' বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘ আলোচনা বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
- বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী টীকা বা ভাষ্য অর্থ হলো কোনো মূল গ্রন্থের বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নির্ঘণ্ট: অর্থ বর্ণানুক্রমিক সূচি বা নির্ঘণ্ট।
- সার কথা: অর্থ মূল কথা বা সারাংশ।
- উৎস খোঁজা: কোনো কিছুর মূল বা উৎপত্তি অনুসন্ধান।
'ঘরের শত্রু বিভীষণ' বাগধারাটির অর্থ হলো গৃহশত্রু বা যে আপনজন হয়েও শত্রুর কাজ করে (অর্থাৎ, নিজের দলের বা পরিবারের ভেতরের শত্রু)。 [1, 2, 3]
রামায়ণে রাবণের ছোট ভাই বিভীষণ নিজের ভাই ও পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে রামচন্দ্রকে সাহায্য করেছিলেন। এই পৌরাণিক কাহিনীর সূত্র ধরেই পরিবার বা দলের ভেতরের গোপন শত্রুকে বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়。
বাংলা গদ্যের জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম সার্থক রূপ দেন, যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন এবং বাংলা ভাষার গদ্যরীতিকে সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছিলেন ।
কাজী নজরুল ইসলাম বেশ কয়েকটি বিখ্যাত পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও তাঁর নিজ সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলো হলো: [1]
ধূমকেতু: এটি তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবচেয়ে আলোচিত ও বিদ্রোহী পাক্ষিক পত্রিকা।
লাঙল: এটি ছিল তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বামপন্থী-সাহিত্যিক পত্রিকা।
দৈনিক নবযুগ: এটি তিনি কমরেড মুজফ্ফর আহমদের সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।
একটি আদর্শ ব্যক্তিগত পত্রে সাধারণত ৬টি অংশ থাকে । অংশগুলো নিচে ক্রমানুসারে দেওয়া হলো:
১. মঙ্গলসূচক শব্দ: চিঠির শুরুতে ঈশ্বর বা আল্লাহর নাম স্মরণ করে কোনো মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য (যেমন: 'আল্লাহ মহান', 'শ্রী শ্রী হরি সহায়') লেখা।
২. স্থান ও তারিখ: পত্র লেখকের ঠিকানা এবং পত্র লেখার তারিখ। এটি সাধারণত চিঠির ওপরের ডান দিকে লেখা হয়।
৩. সম্ভাষণ বা সম্ভোধন: প্রাপক ও লেখকের সম্পর্ক অনুযায়ী সম্বোধন করা (যেমন: 'শ্রদ্ধেয় বাবা', 'প্রিয় বন্ধু', 'স্নেহের ছোট ভাই')।
৪. মূল বিষয় (পত্রগর্ভ): এটি চিঠির মূল অংশ। এখানে সাধারণত তিনটি অনুচ্ছেদ থাকে— সূচনা, মূল বক্তব্য (খবরাখবর আদান-প্রদান) এবং উপসংহার বা বিদায় সম্ভাষণ।
৫. নিবেদন ও স্বাক্ষর: পত্র লেখকের নাম ও প্রাপকের সঙ্গে তার সম্পর্ক নির্দেশক শব্দ (যেমন: 'ইতি— তোমার স্নেহের পুত্র')।
৬. শিরোনাম/খাম: চিঠির খামের ওপর প্রাপক ও প্রেরকের নাম এবং ঠিকানা সুন্দরভাবে লেখা।
জব সলুশন