. 'হাতি' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
হাতি শব্দের সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং পরিচিত সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দগুলো হলো:
গজ
হস্তী
করী
মাতঙ্গ
কুঞ্জর
দ্বিপ
বারণ [1, 2]
Related Questions
প্রমিত উচ্চারণ হলো চলিত ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য l চলিত ভাষা সাধারণত মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে এবং প্রমিত উচ্চারণ ও বানানবিধি মেনে এর আদর্শ রূপটি নির্ধারিত হয়।চলিত ভাষার অন্যান্য প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
সংক্ষিপ্ত রূপ: সর্বনাম (যেমন- তাহারা -> তারা) ও ক্রিয়াপদের (যেমন- করিতেছি -> করছি) সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
সহজবোধ্যতা: বাক্য গঠন সহজ, সাবলীল ও স্পষ্ট হয়।
তদ্ভব শব্দের আধিক্য: চলিত রীতিতে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।
সর্বজনীনতা: এটি দেশের সকল মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও বোধগম্য একটি আদর্শ ভাষারীতি।
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি।
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি।
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।
বাংলা ব্যাকরণে কণ্ঠ বা জিহ্বামূল থেকে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়। এদের উচ্চারণ স্থান হলো কণ্ঠনালী বা জিহ্বার গোড়া। [1]
কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহ:
স্বরধ্বনি: অ, আ
ব্যঞ্জনবর্ণ (ক-বর্গীয়): ক, খ, গ, ঘ, ঙ
অন্যান্য ব্যঞ্জনধ্বনি: হ, ঃ (বিসর্গ) [1, 2]
'টীকা ভাষ্য' বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘ আলোচনা বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
- বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী টীকা বা ভাষ্য অর্থ হলো কোনো মূল গ্রন্থের বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নির্ঘণ্ট: অর্থ বর্ণানুক্রমিক সূচি বা নির্ঘণ্ট।
- সার কথা: অর্থ মূল কথা বা সারাংশ।
- উৎস খোঁজা: কোনো কিছুর মূল বা উৎপত্তি অনুসন্ধান।
'ঘরের শত্রু বিভীষণ' বাগধারাটির অর্থ হলো গৃহশত্রু বা যে আপনজন হয়েও শত্রুর কাজ করে (অর্থাৎ, নিজের দলের বা পরিবারের ভেতরের শত্রু)。 [1, 2, 3]
রামায়ণে রাবণের ছোট ভাই বিভীষণ নিজের ভাই ও পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে রামচন্দ্রকে সাহায্য করেছিলেন। এই পৌরাণিক কাহিনীর সূত্র ধরেই পরিবার বা দলের ভেতরের গোপন শত্রুকে বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়。
জব সলুশন