কোন শব্দযুগল সমার্থক নয়?

ক) অটবি, বিটপী
খ) হেম, সুবর্ণ
গ) তটিনী, ঝর্ণা
ঘ) ধরা, মেদিনী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

অটবি এবং বিটপী শব্দ দুটি সমার্থক নয়। 

অটবি শব্দের অর্থ: বন বা অরণ্য।

বিটপী শব্দের অর্থ: গাছ, বৃক্ষ বা তরু

Related Questions

ক) কুরঙ্গ
খ) ভুজঙ্গ
গ) করী
ঘ) কেশরী
Note :

হাতি শব্দের সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং পরিচিত সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দগুলো হলো:

গজ

হস্তী

করী

মাতঙ্গ

কুঞ্জর

দ্বিপ

বারণ [1, 2]

ক) গাম্ভীর্য
খ) প্রমিত উচ্চারণ
গ) তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার
ঘ) ব্যাকরণ অনুসরণ করে চলে
Note :

প্রমিত উচ্চারণ হলো চলিত ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য l চলিত ভাষা সাধারণত মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে এবং প্রমিত উচ্চারণ ও বানানবিধি মেনে এর আদর্শ রূপটি নির্ধারিত হয়।চলিত ভাষার অন্যান্য প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

সংক্ষিপ্ত রূপ: সর্বনাম (যেমন- তাহারা -> তারা) ও ক্রিয়াপদের (যেমন- করিতেছি -> করছি) সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।

সহজবোধ্যতা: বাক্য গঠন সহজ, সাবলীল ও স্পষ্ট হয়।

তদ্ভব শব্দের আধিক্য: চলিত রীতিতে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।

সর্বজনীনতা: এটি দেশের সকল মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও বোধগম্য একটি আদর্শ ভাষারীতি। 

ক) সংস্কৃত থেকে
খ) গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে
গ) মাগধী প্রাকৃত থেকে
ঘ) মৈথিলী থেকে
Note :

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।

ক) বাংলা
খ) সংস্কৃত
গ) আরবি
ঘ) ফারসি
Note :

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।

ক) চ
খ) ঙ
গ) হ
ঘ) ঝ
Note :

বাংলা ব্যাকরণে কণ্ঠ বা জিহ্বামূল থেকে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়। এদের উচ্চারণ স্থান হলো কণ্ঠনালী বা জিহ্বার গোড়া। [1]

কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহ:

স্বরধ্বনি: অ, আ

ব্যঞ্জনবর্ণ (ক-বর্গীয়): ক, খ, গ, ঘ, ঙ

অন্যান্য ব্যঞ্জনধ্বনি: হ, ঃ (বিসর্গ) [1, 2]

ক) ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
খ) সারকথা
গ) উৎস খোঁজা
ঘ) নির্ঘণ্ট
Note :

'টীকা ভাষ্য' বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘ আলোচনা বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
- বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী টীকা বা ভাষ্য অর্থ হলো কোনো মূল গ্রন্থের বিস্তারিত ব্যাখ্যা।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নির্ঘণ্ট: অর্থ বর্ণানুক্রমিক সূচি বা নির্ঘণ্ট।
- সার কথা: অর্থ মূল কথা বা সারাংশ।
- উৎস খোঁজা: কোনো কিছুর মূল বা উৎপত্তি অনুসন্ধান।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন