সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে তাকে বলে____

ক) বাগ্বিধি
খ) সমার্থক শব্দ
গ) ভিন্নর্থক শব্দ
ঘ) বিপরীত শব্দ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে তাকে বাগধারা বলে। বাগধারার ক্ষেত্রে আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থটি বেশি প্রাধান্য পায়। যেমন— 'আকাশ কুসুম' শব্দের আভিধানিক অর্থ আকাশের ফুল হলেও, বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ হলো 'অসম্ভব কল্পনা'

Related Questions

ক) বিষয়ের উপর
খ) ভাবের উপর
গ) বিন্যাসের উপর
ঘ) ভাষার উপর
Note :

অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা নির্ভর করে অনুবাদের ভাবের উপর। অনুবাদ শব্দের অর্থ - ভাষান্তর। এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় রুপান্তর, ভাব বদল, চিন্তাবদল ইত্যাদি কে অনুবাদ বলে। 

অনুবাদ ২ প্রকার। যথা: 

১/ আক্ষরিক অনুবাদ 

২/ভাবগত অনুবাদ 

তাই, আক্ষরিক অনুবাদ না ভাবানুবাদ তা নির্ভর করে ভাবের উপর।

ক) সম্পূর্ণভাবে
খ) সারাক্ষণ
গ) শেষ পর্যন্ত
ঘ) মৃত্যু অবধি
Note :

'A to Z' কথাটি সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়।

কোনো বিষয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আদ্যোপান্ত বা বিস্তারিত সবকিছু বোঝাতে সাধারণত এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।

ক) কর্মে ৭মী
খ) কর্মে ২য়া
গ) সম্প্রদানে ৭মী
ঘ) সম্প্রদানে ৪র্থী
Note :

‘অন্ধজনে দেহ আলো’ বাক্যে ‘অন্ধজনে’ হলো সম্প্রদান কারক এবং এতে সপ্তমী ('এ') বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।

যেহেতু কোনো স্বার্থ বা প্রতিদান আশা না করে নিঃশর্তভাবে কাউকে কিছু দান করা বা সাহায্য করা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়, তাই এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো (চক্ষুদান বা জ্ঞানের আলো) দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘অন্ধজনে’ সম্প্রদান কারক।

ক) অকথ্য
খ) অনুক্ত
গ) নির্বাক
ঘ) মুক
Note :

যা বলা হয়নি' এর এক কথায় প্রকাশ হলো অনুক্ত

ক) কর্তায় শূন্য
খ) অপাদানে শূন্য
গ) কর্মে শূন্য
ঘ) করণে শূন্য
Note :

"জল পড়ে পাতা নড়ে" বাক্যে সাধারণত 'জল' এবং 'পাতা' শব্দ দুটিকে চিহ্নিত করে কারক নির্ণয় করতে বলা হয়।

ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ:

কারক: কর্তৃকারক

বিভক্তি: প্রথমা বা শূন্য (০) বিভক্তি

কারণ:
বাক্যটিতে "কে বা কারা" দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে সরাসরি কর্তা পাওয়া যায় (যেমন: কী/কে পড়ে? উত্তর: জল; কী নড়ে? উত্তর: পাতা)। যেহেতু জল ও পাতা নিজে নিজেই কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই এরা হলো কর্তৃকারক। শব্দগুলোর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি (যেমন- এ, য়, তে) যুক্ত না থাকায় এগুলো শূন্য বিভক্তি।

ক) যৌগিক বাক্য
খ) মিশ্র বাক্য
গ) সরল বাক্য
ঘ) সাধারণ বাক্য
Note :

- পরস্পর নিরপেক্ষ দুটি সরল বাক্য যখন কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে ‘তার বয়স বেড়েছে’ এবং ‘বুদ্ধি বাড়েনি’ দুটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বাক্য।
- এই দুটি বাক্য ‘কিন্তু’ নামক সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি অখণ্ড বাক্য গঠন করেছে, তাই এটি যৌগিক বাক্য।
- যৌগিক বাক্যে সাধারণত ও, এবং, কিন্তু, অথবা, বা, অথচ, কিংবা, বরং ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: ‘সে দরিদ্র কিন্তু সৎ’ বা ‘সে পাস করেছে অথচ খুশি নয়’—এগুলোও যৌগিক বাক্যের নিদর্শন।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন