বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হন ?
বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যেখানে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে নবাবের বাহিনী পরাজিত হয়। মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই মূলত এই ঐতিহাসিক যুদ্ধে নবাবের পরাজয় ঘটে ।
Related Questions
তুলো' হলো চলিত রীতির শব্দ।
• জুতা, তুলা, সুতা, পূজা শব্দগুলো সাধু রীতিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অর্থাৎ এগুলো সাধু রীতির শব্দ। যেগুলোর চলিত রীতির শব্দ হচ্ছে- জুতো, তুলো, সুতো, পূজো ইত্যাদি।
• জোসনা, জ্যোৎস্না সাধু রীতির শব্দ, যার চলিত রীতি হলো-জোছনা।
• 'হউক' সাধু রীতির শব্দ, যার চলিত রীতি হলো- 'হোক'।
• সাধু রীতির বানানে 'ঙ' ব্যবহৃত হয় যেখানে চলিত রীতির বানানে 'ঙ্গ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'রঙিন' (সাধু রীতি) যেখানে 'রঙ্গিন' (চলিত রীতির শব্দ)।
• 'ব্যতীত' সাধু রীতির শব্দ; যার চলিত রীতির শব্দ হল- 'ছাড়া'
• 'জন্য/জন্যে' চলিত রীতির শব্দ যার সাধু রীতির শব্দ হলো- ' নিমিত্ত'।
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্য বা পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকেই কর্মধারয় সমাস বলে।
- ব্যাসবাক্যে ‘রাজা’ শব্দ পরে থাকলে সমস্তপদে তা আগে বসে।
- যেমন: পথের রাজা = রাজপথ, হাঁসের রাজা = রাজহাঁস।
'মতৈক্য' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ মত + ঐক্য। অ/আ এরপরে এ/ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐ হয় এবং তা ‘অ/আ’ - র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'কবিরাজ' শব্দটির কোনো নিজস্ব বা সুনির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
যখন কোনো নারী এই পেশায় যুক্ত থাকেন, তখন তাদের বোঝাতে পুরুষবাচক শব্দটির আগেই কেবল 'মহিলা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে (যেমন: মহিলা কবিরাজ)। বাংলা ভাষায় 'কবিরাজ' মূলত এমন একটি শব্দ, যা পুরুষ ও নারী—উভয় চিকিৎসকের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রযোজ্য হয়।
যতি/ছেদ চিহ্নের প্রবর্তক- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
যতি চিহ্ন মোট ১২ টি। ব্যাকরণিক চিহ্ন (৪টি)
পূর্ণ বাক্যের শেষে বসে এমন বিরাম চিহ্নের সংখ্যা ৪ টি।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর 'বোতল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭) গ্রন্থ প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার দেখান।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আগে বাংলা গদ্য বা কবিতায় শুধু পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়িজ্ঞাপক চিহ্নটি (এক দাঁড়ি বা দুই দাঁড়ি) ছিলো।
বিরাম বা যতি চিহ্ন 'বাক্যতত্ত্বে' আলোচিত হয়।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(২য় খণ্ড, পৃঃ২২৭, ২য় সংস্করণ,২০১২) অনুযায়ী যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৬ টি।
দাঁড়ির অপর নাম- পূর্ণচ্ছেদ
কমার অপর নাম- পাদচ্ছেদ
সেমিকোলনের অপর নাম- অর্ধচ্ছেদ
ইলেকের অপর নাম - লোপচিহ্ন
ড্যাশের অপর নাম- কষি চিহ্ন
হাইফেনের অপর নাম- শব্দ সংযোগ চিহ্ন
বিরতি কালঃ
এক বলতে সময় লাগে - ২ টি ( উদ্ধরণ, কমা)
এক বলার দ্বিগুণ সময় লাগে- ১টি (সেমিকোলন)
থামার প্রয়োজন নেই- ৩টি (হাইফেন, ইলেক, বন্ধনি)
এক সেকেন্ড থামতে হয়- ৬টি (দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়, কোলন, ড্যাশ, কোলনড্যাশ)
কিংবদন্তি (ক-এ হ্রস্ব ই-কার, ঙ-এ গ, ব, দ, ন-এ হ্রস্ব ই-কার, ত-এ হ্রস্ব ই-কার) বানানটি সঠিক।
শুদ্ধ বানান: কিংবদন্তি
অশুদ্ধ বানান: কিংবদন্তী
সন্ধি-বিচ্ছেদ: কিম্ + বদন্তি (ব্যঞ্জন সন্ধি)
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান-অভিধান অনুযায়ী শেষের 'ত'-তে দীর্ঘ ঈ-কার নয়, বরং হ্রস্ব ই-কার হবে।
জব সলুশন