হর্ষবর্ধনের সভাকবি -
ক) কালিদাস
খ) বানভট্ট
গ) মেগাস্থিনিস
ঘ) সন্ধ্যাকর নন্দী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বানভট্ট ছিলেন পুষ্যভূতি বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা হর্ষবর্ধনের সভাকবি। তাঁর রচিত 'হর্ষচরিত' গ্রন্থ থেকে হর্ষবর্ধন ও তাঁর সময়কাল সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা যায়।
Related Questions
ক) কৃষক
খ) সামন্ত
গ) রাজা
ঘ) সম্রাট
Note : স্বাধীন রাজা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পূর্বে শশাঙ্ক গুপ্ত সম্রাটদের অধীনে একজন মহাসামন্ত বা সামন্ত রাজা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি সুযোগ বুঝে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
ক) কুমিল্লায়
খ) মুর্শিদাবাদে
গ) বগুড়ায়
ঘ) রাজশাহীতে
Note : প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা ও হিউয়েন সাঙের বিবরণ থেকে জানা যায়, কর্ণসুবর্ণের অবস্থান ছিল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায়।
ক) কর্ণসুবর্ণ
খ) গৌড়
গ) নদীয়া
ঘ) ঢাকা
Note : শশাঙ্ক গৌড় রাজ্যের শাসক হলেও তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। গৌড় ছিল রাজ্যের নাম, আর কর্ণসুবর্ণ ছিল সেই রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র বা রাজধানী।
ক) পুণ্ড্রনগর
খ) কনৌজ
গ) কর্ণাটক
ঘ) কর্ণসুবর্ণ
Note : গৌড়রাজ শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কোনো স্থানে অবস্থিত ছিল বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন।
ক) অশোক
খ) শশাঙ্ক
গ) মেগদা
ঘ) ধর্মপাল
Note : যদিও বাংলায় আগেও অনেক রাজা ছিলেন, শশাঙ্ককেই প্রথম সমগ্র বাংলা অঞ্চলকে একটি শাসনাধীনে আনার প্রচেষ্টাকারী এবং প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি রাজা হিসেবে গণ্য করা হয়।
ক) ধর্মপাল
খ) গোপাল
গ) শশাঙ্ক
ঘ) দ্বিতীয় চন্দ্র গুপ্ত
Note : শশাঙ্কই প্রথম বাঙালি শাসক যিনি বাংলার খণ্ড খণ্ড জনপদগুলোকে একত্রিত করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজ্য (গৌড়) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাই তাকেই প্রথম স্বাধীন সার্বভৌম রাজা বলা হয়।
জব সলুশন