ফা-হিয়েন ছিলেন-
ক) সম্রাট
খ) সেনাপতি
গ) পরিব্রাজক
ঘ) মন্ত্রী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ফা-হিয়েন ছিলেন একজন চীনা বৌদ্ধ ভিক্ষু এবং পরিব্রাজক বা পর্যটক। তিনি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সংগ্রহ ও পবিত্র স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে স্থলপথে দীর্ঘ ভ্রমণ করে ভারতবর্ষে আসেন।
Related Questions
ক) ইন্ডিয়া
খ) ইন্ডিকা
গ) ইন্ডিয়ানা
ঘ) ইন্ডাস
Note : মেগাস্থিনিস তার ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা এবং তৎকালীন ভারতের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ দিয়ে 'ইন্ডিকা' (Indica) নামক একটি অমূল্য গ্রন্থ রচনা করেন। যদিও মূল গ্রন্থটি বিলুপ্ত, এর অংশবিশেষ অন্যান্য লেখকদের রচনায় পাওয়া যায়।
ক) শাসক
খ) অর্থনীতিবিদ
গ) জাদুকর
ঘ) রাষ্ট্রদূত
Note : মেগাস্থিনিস ছিলেন একজন গ্রিক দূত বা রাষ্ট্রদূত। তিনি গ্রিক শাসক সেলুকাসের প্রতিনিধি হিসেবে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের রাজসভায় এসেছিলেন।
ক) পর্যটক
খ) পরিদর্শক
গ) পরিচালক
ঘ) কোনোটাই নয়
Note : 'পরিব্রাজক' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ যিনি নানা দেশ ভ্রমণ করেন। এর সমার্থক শব্দ হলো পর্যটক, ভ্রমণকারী ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর 'পর্যটক'।
ক) পাঠ্যবই
খ) মুদ্রা
গ) শিলালিপি
ঘ) দলিল
Note : মুদ্রা, শিলালিপি, এবং প্রাচীন দলিলপত্র হলো ইতিহাসের প্রত্যক্ষ বা প্রাথমিক উৎস (Primary Source)। অন্যদিকে, পাঠ্যবই এসব প্রাথমিক উৎস বিশ্লেষণ করে লেখা হয়, তাই এটি একটি মাধ্যমিক উৎস (Secondary Source), সরাসরি উৎস নয়।
ক) তামার পাত্রে শাসনাদেশ
খ) প্রাচীন জনগণ
গ) প্রাচীন গ্রন্থ
ঘ) প্রাচীন ভাষা
Note : প্রাচীনকালে রাজারা তাদের বিভিন্ন আদেশ, ভূমিদানপত্র বা ঘোষণা তামার পাতে খোদাই করে স্থায়ী দলিল হিসেবে প্রদান করতেন। এই তামার পাতে খোদাই করা লিপি বা শাসনকেই 'তাম্রলিপি' বা 'তাম্রশাসন' বলা হয়।
ক) মিনহাজ-ই-সিরাজ
খ) আবুল ফজল
গ) শাহ-মুহাম্মদ সগীর
ঘ) মির্জা নাথান
Note : তবকাত-ই-নাসিরী' গ্রন্থটি পারসিক ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ কর্তৃক রচিত। এই গ্রন্থেই বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়ের সর্বপ্রথম বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
জব সলুশন