মানুষের দর্শনানুভূতির স্থায়িত্বকাল
ক) ১০.০ সেকেন্ড
খ) ১.৫ সেকেন্ড
গ) ০.০১ সেকেন্ড
ঘ) ০.১ সেকেন্ড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কোনো বস্তু দেখার পর ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থেকে যায়। একে দর্শনানুভূতির স্থায়িত্বকাল (Persistence of Vision) বলে। এই ধর্মের কারণেই আমরা সিনেমার চলমান ছবি বা দ্রুত ঘূর্ণায়মান পাখাকে অবিচ্ছিন্ন চাকতির মতো দেখি।
Related Questions
ক) কমলা
খ) হলুদ
গ) লাল
ঘ) সবুজ
Note : মানুষের চোখ লাল আলোর প্রতি তুলনামূলকভাবে কম সংবেদনশীল। চরম লাল আলোতে (long-wavelength red light) চোখের সংবেদনশীলতা অনেক কমে যায়, যদিও পুরোপুরি শূন্য হয় না।
ক) লাল-কমলা
খ) বেগুনি-আকাশী
গ) হলুদ-সবুজ
ঘ) নীল-আসমানী
Note : মানুষের চোখ হলুদ-সবুজ বর্ণের আলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল। অর্থাৎ, দিনের বেলায় প্রায় ৫৫৫ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (হলুদ-সবুজ) আলোতে আমরা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখতে পাই।
ক) Retina
খ) Cornea
গ) Iris
ঘ) Radius
Note : রেটিনা (Retina), কর্নিয়া (Cornea) এবং আইরিশ (Iris) সবই মানুষের চোখের অংশ। কিন্তু রেডিয়াস (Radius) হলো হাতের একটি হাড়ের নাম, এটি চোখের কোনো অংশ নয়।
ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
খ) পিউপিল
গ) কর্নিয়া
ঘ) রেটিনা
Note : রেটিনায় অবস্থিত রড (Rod) এবং কোণ (Cone) নামক আলোকসংবেদী কোষগুলো আপতিত আলোক শক্তিকে রাসায়নিক ও পরে তড়িৎ সংকেতে (nerve impulse) রূপান্তরিত করে। এই সংকেত মস্তিষ্ক গ্রহণ করে এবং দর্শনের অনুভূতি তৈরি হয়।
ক) পিউপিল
খ) আইরিশ
গ) রেটিনা
ঘ) অন্ধবিন্দু
Note : রেটিনা হলো চোখের পেছনের একটি আলোক-সংবেদী স্তর যেখানে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এতে থাকা রড ও কোন কোষ আলোক শক্তিকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়।
ক) উভ উত্তল / দ্বি উত্তল
খ) অবতল
গ) উভ অবতল
ঘ) উত্তল
Note : মানুষের চোখের লেন্সটি একটি উভোত্তল বা দ্বি-উত্তল (Biconvex) লেন্সের মতো কাজ করে। এটি নমনীয় এবং সিলিয়ারি পেশীর সাহায্যে এর ফোকাস দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে কাছের ও দূরের বস্তু দেখতে সাহায্য করে।
জব সলুশন