যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয়, তাদের বলা হয়-
ক) আইসোটোন
খ) আইসোমার
গ) আইসোটোপ
ঘ) আইসোবার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
আইসোটোন হলো ভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের নিউক্লিয়াসে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। যেহেতু তারা ভিন্ন মৌলের, তাই তাদের প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। যেমন, ¹⁴C এবং ¹⁵N উভয়েরই ৮টি নিউট্রন আছে, তাই এরা পরস্পরের আইসোটোন।
Related Questions
ক) আইসোটোন
খ) আইসোটোপ
গ) আইসোবার
ঘ) রাসায়নিক পদার্থ বা কেমিক্যাল
Note : ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেডিওথেরাপি বা বিকিরণ চিকিৎসায় উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়। এই রশ্মির উৎস হিসেবে কোবাল্ট-৬০ (⁶⁰Co) বা সিজিয়াম-১৩৭ (¹³⁷Cs) এর মতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
ক) U²³³
খ) U²³⁵
গ) U²³⁸
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : যদিও U-২৩৮ প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য U-২৩৫ আইসোটোপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল ব্যবহৃত, কারণ এটি নিউট্রন দ্বারা বিভাজিত (fissile) হতে পারে এবং চেইন রিঅ্যাকশন ঘটায়।
ক) U²³⁴
খ) U²³⁵
গ) U²³⁸
ঘ) সবগুলোই
Note : প্রকৃতিতে ইউরেনিয়ামের তিনটি প্রধান আইসোটোপ পাওয়া যায়: ইউরেনিয়াম-২৩৮ (সবচেয়ে বেশি), ইউরেনিয়াম-২৩৫ এবং ইউরেনিয়াম-২৩৪। প্রদত্ত অপশনগুলোর সবগুলোই ইউরেনিয়ামের স্থিতিশীল আইসোটোপ। তাই উত্তর 'সবগুলোই'।
ক) ভর সংখ্যা সমান থাকে
খ) নিউট্রন সংখ্যা একই থাকে
গ) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
ঘ) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
Note : আইসোটোপের সংজ্ঞানুযায়ী, এরা একই মৌলের পরমাণু, যার অর্থ এদের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা অবশ্যই সমান থাকবে। এদের নিউট্রন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।
ক) ইলেকট্রন
খ) প্রোটন
গ) নিউট্রন
ঘ) কারণ অনাবিষ্কৃত
Note : আইসোটোপ হলো একই মৌলের পরমাণু, তাই তাদের প্রোটন সংখ্যা সর্বদা স্থির থাকে। আইসোটোপগুলোর মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয় শুধুমাত্র নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যার তারতম্যের কারণে। নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ায় তাদের ভরসংখ্যাও ভিন্ন হয়।
ক) আইসোটোপ
খ) আইসোমার
গ) আইসোটোন
ঘ) আইসোবার
Note : যখন একই মৌলের (অর্থাৎ এটমিক বা পারমাণবিক সংখ্যা একই) পরমাণুগুলোর নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়, তখন তাদের ভরসংখ্যা (প্রোটন+নিউট্রন) বেড়ে যায়। এই ধরনের পরমাণুগুলোকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
জব সলুশন