আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?
নক্ষত্রজগতের আকর্ষণীয় তথ্য:
লুব্ধক (Sirius):
- এটি রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র
- 'ক্যানিস মেজর' (বৃহৎ কুকুর) নক্ষত্রমণ্ডলের অংশ
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ
- এটি একটি দ্বৈত নক্ষত্র সিস্টেম - লুব্ধক A (মূল নক্ষত্র) এবং লুব্ধক B (শ্বেত বামন)
- গ্রীক ভাষায় এর নাম 'Seirios' যার অর্থ 'জ্বলন্ত' বা 'উত্তপ্ত'
ধ্রুবতারা (Polaris):
- উত্তর মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র
- 'ক্ষুদ্র সপ্তর্ষি' (Ursa Minor) নক্ষত্রমণ্ডলের অংশ
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪৩৪ আলোকবর্ষ
- প্রাচীনকাল থেকেই নাবিকরা দিক নির্ধারণে এটিকে ব্যবহার করে আসছে
- পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে এটি আকাশে স্থির দেখায়
- এটিও একটি বহু-নক্ষত্র সিস্টেম
প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri):
- সূর্য ছাড়া পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র
- 'আলফা সেন্টারাই' সিস্টেমের অংশ
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.২ আলোকবর্ষ
- একটি লাল বামন নক্ষত্র
- এর চারপাশে কমপক্ষে দুটি গ্রহ ঘুরছে, যার একটি বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থিত
পুলহ (Pulaha):
- সপ্তর্ষিমণ্ডলের (Big Dipper/Ursa Major) একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র
- হিন্দু পুরাণে উল্লেখিত সপ্তর্ষিদের একজন
- এটি 'বৃহৎ সপ্তর্ষি' নক্ষত্রমণ্ডলের অংশ
- আকাশে একটি বড় ডিপার বা হাতার আকৃতি তৈরি করে
- উত্তর গোলার্ধে সারা বছর দৃশ্যমান
এই নক্ষত্রগুলি শুধু আকাশের সৌন্দর্যই নয়, বরং প্রাচীনকাল থেকে মানুষের নেভিগেশন, ক্যালেন্ডার নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথেও জড়িত। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে এই নক্ষত্রগুলির গবেষণা আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য জানতে সাহায্য করছে।
Related Questions
জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। এটি আফ্রিকা মহাদেশর মরক্কো ও ইউরোপের স্পেনকে পৃথক করেছে।
৪৫০ অক্ষাংশের সমুদ্রপৃষ্ঠে ০০ উষ্ণতায় ৭৬ সেমি. বিশুদ্ধ পারদস্তম্ভের চাপকে আদর্শ বা স্বাভাবিক বায়ুমন্ডলীয চাপ বা এক 'বার' বলে। সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ – প্রতি বর্গইঞ্চিতে ১৪.৭২ পাউন্ড প্রতি বর্গসেন্টিমিটার প্রায় ১ কেজি অথবা প্রতি বর্গ সেমি. এ ১০.১৩ নিউটন।
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।
বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান মার্কিন বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের。
গ্যালিলিও হচ্ছে পৃথিবী থেকে নাসার পাঠানো বৃহস্পতির একটি মনুষ্যবিহীন কৃত্রিম উপগ্রহ। এই কৃত্রিম উপগ্রহ/উপগ্রহটির নাম বিজ্ঞানী গ্যালিলিও - এর নামানুসারে নামকরণ করা হয়।
-হেল-বপ ধূমকেতু সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষণকৃত ধূমকেতু।
-এটি বহু দশক ধরে আকাশের উজ্জ্বলতম ধূমকেতু হিসেবে বিরাজ করেছিল। ১৮ মাস ধরে এটিকে খালি চোখে দৃশ্যমান ছিল, যা একটি রেকর্ড।
জব সলুশন