অনাবিল' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
অনাবিল স্বচ্ছ, নির্মল, অমল, অকলুষিত। আবিল - কলুষিত, মলিন, পঙ্কিল, ঘোলা।
Related Questions
- কৃৎ-প্রত্যয়ের কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে শানচ্-প্রত্যয় ('শ' ও 'চ' ইৎ, 'আন' বিকল্পে 'মান' থাকে) এর ব্যবহার হয়।
যেমন:
- বৃধ্+শানচ/মান = বর্ধমান;
- চল+শানচ্ = চলমান;
- দীপ্+শানচ্ = দীপ্যমান।
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকেই তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যেকোনো বিভক্তি থাকতে পারে; আর পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়।
- পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হইতে, থেকে, চেয়ে ইত্যাদি) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাই পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস।
- যেমন: জন্ম হতে অন্ধ = জন্মান্ধ; পাপ হতে মুক্ত = পাপমুক্ত।
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকেই উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এতে দুটো পদই বিশেষ্য হয় এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে।
যেমন:
- কর পল্লবের ন্যায় = করপল্লব;
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ (বিশেষ্য + বিশেষ্য);
- কুমারী ফুলের ন্যায় = ফুলকুমারী।
কৃৎ- প্রত্যয় সাধিত পদকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। কৎ প্রত্যয় ২ প্রকার। ১। বাংলা কৃৎপ্রত্যয় ২। সংস্কৃত কৎ প্রত্যয়। √বহ্ +তা= বহতা(বাংলা কৃৎপ্রত্যয়) √দা+তৃচ= দাতা, √মা+তৃচ= মাতা (সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়), স্বাধীন+তা= স্বাধীনতা( সংস্কত তদ্ধিত প্রত্যয়)।
'তৃচ' প্রত্যয় যোগে শব্দে ('চ' লোপ পেয়ে 'তৃ' থেকে যায়) যেমনঃ √মা+তৃচ= মাতা (তৃ > তা হয়েছে)
- তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে, ই-কার কিংবা ঈ- কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়; দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
- যেমন: সতী+ঈশ (ঈ+ঈ= ঈ) = সতীশ; পৃথ্বী+ঈশ = পৃথ্বীশ, শ্রী+ঈশ = শ্রীশ।
- সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন।
- সন্নিহিত দুইটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি।
- পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- যেমন: আশা+অতীত = আশাতীত;
জব সলুশন