কোন সংখার ১/২ অংশের সাথে ৬ যোগ করলে সংখ্যাটির ২/৩ অংশ হবে, সংখাটি কত?
ধরি, সংখ্যাটি ক
প্রশ্নমতে,
(ক/২) + ৬ = (২ক/৩)
বা, ৬ = (২ক/৩) - (ক/২)
বা, ৬ = (৪ক - ৩ক)/৬
বা, ক = ৬×৬
∴ ক = ৩৬
Related Questions
”প্রভাত সূর্যের” সমার্থক শব্দ অরুণ।
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ হল রবি দিনমণি ভানু। অন্যদিকে 'অরুণ' শব্দের অর্থ প্রভাতসূর্য ঊষাকালীন সূর্যের দীপ্তি ইত্যাদি।
• ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ট। (২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭)
• ৪৩ ও ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যার সংখ্যা ৪ টি ।(৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯)
'মুনতাসীর ফ্যান্টাসী' বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আলদীনের একটি প্রতীকাশ্রয়ী কৌতুক নাটক। নাট্যকার তার নাট্যচর্চার শুরুর দিকে লেখা ও নাটকটির নাম 'মুনতাসীর ফ্যান্টসী' রাখলেও পরে ফ্যান্টাসী বাদ দিয়ে শুধুই 'মুনতাসীর' নামকরণ করেন। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'সৈয়দ শামসুল হকের, 'কবর' (১৯৬৬) মুনীর চৌধুরীর এবং 'বহুব্রীহি' হুমায়ূন আহমেদের উল্লেখ্যযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ - নরক মানুষেতে সুরাসুর পংক্তিটির রচয়িতা - শেখ ফজলুল করিম।
তার স্বর্গ নরক কবিতার চরণ এটি। তার কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ : সরল পদ্য বিকাশ, তৃষ্ণা ভক্তি পুষ্পাঞ্জলি, গাঁথা প্রভৃতি।
আমরা জানি, যে স্বাভাবিক সংখ্যার শুধুমাত্র দুটি গুণনীয়ক (1 এবং সংখ্যাটি নিজে) থাকে, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। অর্থাৎ, কোনো মৌলিক সংখ্যাকে অন্য কোনো পূর্ণ সংখ্যার বর্গ হিসেবে প্রকাশ করা যায় না, কারণ পূর্ণবর্গ সংখ্যা হতে হলে তার মৌলিক উৎপাদকগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকতে হয়।
ধরি, p একটি মৌলিক সংখ্যা।
যেহেতু p পূর্ণবর্গ নয়, তাই এর বর্গমূল অর্থাৎ p–√ কে p/q বা ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব নয় (যেখানে p ও q সহমৌলিক পূর্ণসংখ্যা এবং q≠0)।
গাণিতিক সংজ্ঞা অনুসারে, পূর্ণবর্গ নয় এমন যেকোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল একটি অমূলদ সংখ্যা (Irrational Number)।
উদাহরণস্বরূপ:
p=2 হলে, 2–√=1.41421356... (অসীম ও অনাবৃত দশমিক)
p=3 হলে, 3–√=1.73205081... (অসীম ও অনাবৃত দশমিক)
p=5 হলে, 5–√=2.2360679... (অসীম ও অনাবৃত দশমিক)
যেহেতু p–√ এর মান একটি অসীম ও অনাবৃত দশমিক সংখ্যা এবং একে ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা যায় না, তাই এটি একটি অমূলদ সংখ্যা।
ইউসুফ জুলেখা কাব্য অনুবাদ করেন শাহ মুহম্মদ সগীর ।তিনি আবদুর রহমান জামি রচিত 'ইউসুফ ওয়া ' জুলায়খা থেকে বাংলায় 'ইউসুফ জুলেখা' নামে অনুবাদ করেন । এ কাব্যের পটভূমি ইরান ।
- শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।
- এটি রচনা হয় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময়ে।
- আবদুল হাকিম ও ফকির গরীবুল্লাহ জামীর 'ইউসুফ ও জুলায়খা' থেকে অনুবাদ করে ইউসুফ জুলেখা নামে কাব্য রচনা করেন ।
- তবে সর্বজন স্বীকৃত অনুবাদক হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর পরিচিত ।
জব সলুশন