বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের কোন দুটি বানানই শুদ্ধ?
হাতি-হাতী বানানই শুদ্ধ
Related Questions
মোসলেম ভারত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছিল। ১৯২০ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনামলের সময় এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকার নামে মুসলিম শব্দ থাকলেও এতে অন্যান্য ধর্মের লেখকদের রচনাও প্রকাশিত হত।পত্রিকার প্রচ্ছদে ইসলামি শিল্পকলা তুলে ধরা হত।এছাড়াও প্রচ্ছদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিম্নোক্ত বাণী উৎকীর্ণ ছিল: ‘মানব - সংসারে জ্ঞানালোকের দিয়ালি - উৎসব চলিতেছে। প্রত্যেক জাতি আপনার আলোটীকে বড় করিয়া জ্বালাইলে তবে সকলে মিলিয়া এই উৎসব সমাধা হইবে।’
বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনার কৃতিত্ব মাইকেল মধুসূদন দত্তের, সনেটকে বাংলায় চতুর্দশপদী নাম মহাকবি মাইকেল মধুসূদনই দিয়েছিলেন। বাংলা সনেট (চতুর্দশপদী) এর সার্থক স্রষ্টা কবি মধুসূদন দত্ত ১৮৬৫ খ্রীষ্টাব্দে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালেই ইতালির কবি পেত্রার্কের সনেট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথম বাংলা সনেটের দিগন্ত উন্মোচন করেন। ১৮৬৬ খ্রীষ্টাব্দে কবির চতুর্দশপদী কবিতাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাগুলিতে কবি চিত্তের ব্যকুলতা, স্বদেশ প্রেমিকতা ও আবেগ ধ্বনিত হয়েছে।
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। প্রকাশকাল- ১৯৬২। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এই নাটকটির মূল উপজীব্য। নাটকটির জন্য মুনীর চৌধুরী ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
সঠিক উত্তরটি হলো: হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ।
ব্যাখ্যা:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের ব্যাখ্যামূলক মধ্যপদটি সমস্তপদে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে ‘হাসি মাখা মুখ’ ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ ‘মাখা’ শব্দটি লোপ পেয়ে ‘হাসিমুখ’ হয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।
অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ঘর থেকে ছাড়া = ঘরছাড়া: এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস (অপাদান কারকের বিভক্তি 'থেকে' লোপ পেয়েছে)।
অরুণের মত রাঙা = অরুণরাঙা: এটি উপমান কর্মধারয় সমাস (তুলনা বোঝাতে 'মত' ব্যবহৃত হয়েছে)।
ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী: এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ বা ব্যাপ্তি তৎপুরুষ সমাস।
নামপুরুষ : বাক্যে বক্তা অনুপস্থিত যেসব ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর উল্লেখ করেন, তাদের নামপুরুষ বলে। অর্থাৎ, বক্তার সামনে নেই এমন যা কিছুর কথা বক্তা বাক্যে বলেন, সবগুলোই নামপুরুষ। নাম পুরুষের সর্বনামের রূপ হলো - সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের, ইত্যাদি।
'বন্যেরা বনে সুন্দর , শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ' এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে - -
জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
জব সলুশন