বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হন ?
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন।
মূল তথ্য:
যুদ্ধের নাম: পলাশীর যুদ্ধ (Battle of Plassey)।
তারিখ: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন।
স্থান: ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকানন, বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
প্রতিপক্ষ: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, যার নেতৃত্বে ছিলেন রবার্ট ক্লাইভ।
পরাজয়ের কারণ: প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা
এই পরাজয়ের ফলেই বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা হয়।
Related Questions
সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে তাকে বাগধারা বলে। বাগধারার ক্ষেত্রে আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থটি বেশি প্রাধান্য পায়। যেমন— 'আকাশ কুসুম' শব্দের আভিধানিক অর্থ আকাশের ফুল হলেও, বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ হলো 'অসম্ভব কল্পনা'
অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা নির্ভর করে অনুবাদের ভাবের উপর। অনুবাদ শব্দের অর্থ - ভাষান্তর। এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় রুপান্তর, ভাব বদল, চিন্তাবদল ইত্যাদি কে অনুবাদ বলে।
অনুবাদ ২ প্রকার। যথা:
১/ আক্ষরিক অনুবাদ
২/ভাবগত অনুবাদ
তাই, আক্ষরিক অনুবাদ না ভাবানুবাদ তা নির্ভর করে ভাবের উপর।
'A to Z' কথাটি সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়।
কোনো বিষয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আদ্যোপান্ত বা বিস্তারিত সবকিছু বোঝাতে সাধারণত এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
‘অন্ধজনে দেহ আলো’ বাক্যে ‘অন্ধজনে’ হলো সম্প্রদান কারক এবং এতে সপ্তমী ('এ') বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
যেহেতু কোনো স্বার্থ বা প্রতিদান আশা না করে নিঃশর্তভাবে কাউকে কিছু দান করা বা সাহায্য করা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়, তাই এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো (চক্ষুদান বা জ্ঞানের আলো) দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘অন্ধজনে’ সম্প্রদান কারক।
যা বলা হয়নি' এর এক কথায় প্রকাশ হলো অনুক্ত
"জল পড়ে পাতা নড়ে" বাক্যে সাধারণত 'জল' এবং 'পাতা' শব্দ দুটিকে চিহ্নিত করে কারক নির্ণয় করতে বলা হয়।
ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ:
কারক: কর্তৃকারক
বিভক্তি: প্রথমা বা শূন্য (০) বিভক্তি
কারণ:
বাক্যটিতে "কে বা কারা" দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে সরাসরি কর্তা পাওয়া যায় (যেমন: কী/কে পড়ে? উত্তর: জল; কী নড়ে? উত্তর: পাতা)। যেহেতু জল ও পাতা নিজে নিজেই কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই এরা হলো কর্তৃকারক। শব্দগুলোর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি (যেমন- এ, য়, তে) যুক্ত না থাকায় এগুলো শূন্য বিভক্তি।
জব সলুশন