‘পাশ্চাত্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ-
'পাশ্চাত্য' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো 'প্রাচ্য'।
শব্দার্থের বিশ্লেষণ:
পাশ্চাত্য: পশ্চিম দিকের, পশ্চিমদেশীয় বা ইউরোপ-আমেরিকা সংক্রান্ত বিষয়।
প্রাচ্য: পূর্ব দিকের, পূর্বদেশীয় বা এশিয়া মহাদেশীয় অঞ্চল সংক্রান্ত বিষয়।
Related Questions
ফটোষ্ট্যাট বানানটি শুদ্ধ নয়
এর শুদ্ধ বানানটি হলো: ফটোস্ট্যাট। বাংলায় ইংরেজি 'St' (স্ট) যুক্ত বর্ণে সাধারণত মূর্ধন্য ‘ষ’ (ষ) ব্যবহৃত হয় না, বরং দন্ত্য ‘স’ (স) ব্যবহার করা হয়।
'পত্র' শব্দটির শাব্দিক বা আভিধানিক অর্থ হলো চিহ্ন, স্মারক, পাতা বা দলিল। সংস্কৃত 'পত' ধাতু থেকে এই শব্দের উৎপত্তি।
'বারান্দা' একটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। পর্তুগিজ 'Varanda' শব্দ থেকে এটি সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
বাংলা ব্যাকরণে 'সমীকরণ' একটি পারিভাষিক শব্দ। এটি ইংরেজি Equation শব্দের পারিভাষিক রূপ।
উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রুপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'।
সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-
- সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
- সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
- সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
- সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার থেকে। সময়ের সাথে বিবর্তনের মাধ্যমে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে মাগধী প্রাকৃত এবং পরবর্তীতে মাগধী অপভ্রংশ রূপের সৃষ্টি হয়। এই মাগধী অপভ্রংশ থেকেই ধীরে ধীরে আজকের বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে
জব সলুশন