চলিত ভাষার সৃষ্টি হয়েছে-

ক) ১৫৫৪ সালে
খ) ১৮১৪ সালে
গ) ১৯১৪ সালে
ঘ) ১৯৫৪ সালে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে চলিত ভাষারীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়。 এর আগে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা প্যারীচাঁদ মিত্র চলিত রীতির ব্যবহার শুরু করলেও, প্রমথ চৌধুরীর হাত ধরেই এটি সাহিত্যিক স্বীকৃতি লাভ করে。

Related Questions

ক) টেকচাঁদ ঠাকুর
খ) বীরবল
গ) বিদ্যাসাগর
ঘ) বনফুল
Note :

চলিত বাংলা গদ্যের সার্থক প্রবর্তন করেন বীরবল। প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, লেখক ও কবি। বীরবল তার ছদ্মনাম। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন।


 

ক) উইলিয়াম কেরী
খ) শ্যামাচরণ গঙ্গোপাধ্যায়
গ) এডওয়ার্ড ডিমোক
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
Note :

বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন ভাষাতাত্ত্বিক প্রমথ চৌধুরী。তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং 'সবুজপত্র' (১৯১৪) পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতিকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) প্রমথ চৌধুরী
গ) প্যারীচাঁদ মিত্র
ঘ) প্রমথনাথ বসু
Note :

বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন - প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। তিনি "সবুজপত্র " পত্রিকা সম্পাদনের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন।

ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
খ) রাজনারায়ণ বসু
গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Note :

বাংলা গদ্য সাহিত্যে প্যারীচাঁদ মিত্র (ছদ্মনাম: টেকচাঁদ ঠাকুর)-এর রচনা রীতিকে 'আলালী ভাষা' আখ্যা দেয়া হয়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮ সালে প্রকাশিত)-এর নামানুসারে এই কথ্য ও সহজবোধ্য ভাষারীতি 'আলালী ভাষা' বা 'আলালী রীতি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। 

ক) সাধু
খ) চলিত
গ) ইংরেজি
ঘ) সংস্কৃত
Note :

আলালী বা হুতোমি ভাষা মূলত চলিত ভাষা-কে বলা হয়। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে মুখের ভাষারীতি বা চলিত রীতির প্রবর্তনে এই দুটি শৈলী বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।

প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

আলালী ভাষা: প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' গ্রন্থে এই ভাষারীতি ব্যবহার করেন, যা তৎসম শব্দের মিশ্রণে কিছুটা সহজ ও কথ্য রূপ ধারণ করেছিল। 

হুতোমি ভাষা: কালীপ্রসন্ন সিংহ তাঁর 'হুতোম প্যাঁচার নকশা'-তে এই রীতির প্রয়োগ করেন, যা আলালী ভাষার চেয়ে আরও বেশি প্রাণবন্ত, তীব্র ও সরাসরি কথ্য মুখের ভাষার কাছাকাছি ছিল। 

ক) তিনটি
খ) দুইটি
গ) চারটি
ঘ) সাতটি
Note :

বাংলা লেখ্য ভাষার প্রধান রূপ দুটি । এগুলো হলো:
১. সাধু রীতি: গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণগতভাবে সুনির্দিষ্ট রূপ।
২. চলিত রীতি: আধুনিক, সহজ ও সর্বজনগ্রাহ্য রূপ, যা বর্তমানে লেখা ও বলার প্রধান মাধ্যম ।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন