টপিকঃ প্রাইমারি প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 50 Qs

1.

যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম কি?

ক) ব্যাসবাক্য
খ) সমস্ত পদ
গ) সমস্যমান পদ
ঘ) সমাসবাক্য
Note :

যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।

সমাস এর পরিভাষা পাঁচটি। সমস্যমান পদ, ব্যাসবাক্য, সমস্তপদ, পূর্বপদ, পরপদ। সমাস যুক্তপ্রদেশ প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে। সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে। সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কে ভাঙলে যে বাক্য পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য।

2.

”পলাতক দাসে দাও স্বাধীনতা”- এখানে “দাসে” কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) করণে সপ্তমী
খ) কর্মে সপ্তমী
গ) অধিকরণে পঞ্চমী
ঘ) সম্প্রদানে সপ্তমী
Note :

"পলাতক দাসে দাও স্বাধীনতা" বাক্যে 'দাসে' শব্দটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। কারণ যাকে কোনো কিছু শর্ত ত্যাগ করে দান, অর্চনা বা সাহায্য করা হয়, তা সম্প্রদান কারক। এখানে দাসকে চিরতরে স্বাধীনতা প্রদান বা দান করা বোঝাচ্ছে, তাই এটি সম্প্রদান কারক এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি

3.

নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ ?

ক) মধুসুদন দত্ত
খ) মধূসূদন দত্ত
গ) মধুসূদন দত্ত
ঘ) মধুসুধন দত্ত
Note :

মধুসূদন দত্ত বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।

4.

'কিরণ' এর সমার্থক নয়-

ক) রশ্মি
খ) প্রভা
গ) কর
ঘ) রবি
Note :

সূর্যের প্রতিশব্দ রবি । কিরণ শব্দের প্রতিশব্দ হল রশ্মি , কর , প্রভা , আলোক দীপ্তি ।

5.

. কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী- কোনটি বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ--

ক) কর্মনিষ্ঠ
খ) কর্মোদ্যমী
গ) কর্মঠ
ঘ) কর্মী
Note :

'কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত বা এক কথায় প্রকাশ হলো কর্মঠ।  বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে নিচে কিছু প্রাসঙ্গিক বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হলো:

কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী: কর্মঠ

যিনি কাজ করেন: কর্মী

কাজে নিষ্ঠা আছে যার: কর্মনিষ্ঠ

কাজে উদ্যম আছে যার: কর্মোদ্যমী 

6.

"হাতের" কাজ দেখাও ---বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) অপাদানে ষষ্ঠী
খ) কর্মে ৭মী
গ) করণে ষষ্ঠী
ঘ) অধিকরণে ষষ্ঠী
Note :

বাক্যের ক্রিয়াকে কি উপায় বা কিসের দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর যা পাওয়া যায় তাকে করণ কারক বলে। এখানে প্রশ্নটিই হচ্ছে - কি দ্বারা কাজ? উত্তরে হাতের দ্বারা কাজ। তাই 'হাতের' করণ কারক এবং শব্দের শেষে 'র' থাকায় তা ষষ্ঠী বিভক্তি।

7.

'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ কি?

ক) সচেতন করা
খ) চক্ষু দান করা
গ) চুরি করা
ঘ) এর কোনোটিই নয়
Note :

'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ চুরি বা চুরি করা । যেমন - পকেটমার আমার মানিব্যাগটি চক্ষুদান করে নিয়ে গেল।

8.

”নির্মল” শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) অনির্মল
খ) পঙ্কিল
গ) অপরিস্কার
ঘ) নোংরা
Note :

'নির্মল' শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রচলিত বিপরীত শব্দ হলো পঙ্কিল বা অনির্মল। 

9.

রাজর্ষি এর ব্যাসব্যাক্য কোনটি?

ক) যিনি ঋষি তিনিই রাজা
খ) যিনি রাজা তিনিই ঋষি
গ) যিনি রাজা তিনি ঋষি
ঘ) যিনি ঋষি তিনি রাজা
Note :

রাজর্ষি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো— যিনি রাজা তিনিই ঋষি। 

10.

কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) সায়ত্বশাসন
খ) স্বায়ত্তশাসন
গ) সায়ত্তশাসন
ঘ) স্বায়ত্বশাসন
Note :

শুদ্ধ বানানটি হলো স্বায়ত্তশাসন। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী, শব্দটির গঠন হলো "স্ব" + "আয়ত্ত" + "শাসন"।

11.

মনমাঝি-এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

ক) মনের মাঝি
খ) মন রূপ মাঝি
গ) মন মাঝির ন্যায়
ঘ) মন ও মাঝি
Note :

মন মাঝি'-এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো মন রূপ মাঝি।  এটি রূপক কর্মধারয় সমাস-এর একটি উদাহরণ, যেখানে উপমেয় (মন) এবং উপমানের (মাঝি) মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়

12.

চারটি বিরাম চিহ্নের মধ্যে পূর্ণচ্ছেদ কোনটি?

ক) ড্যাস
খ) হাইফেন
গ) সেমিকোলন
ঘ) দাড়ি
Note :

পূর্ণচ্ছেদ চিহ্ন বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।  যেমন: দাঁড়ি,  প্রশ্নচিহ্ন প্রভৃতি পূর্ণচ্ছেদ চিহ্ন।  

13.

কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?

ক) ঝিলিমিলি
খ) মৃত্যুক্ষুধা
গ) মধুমালা
ঘ) অগ্নি-বীণা
Note :

কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান তিনটি উপন্যাস হলো— বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা । এর মধ্যে 'বাঁধনহারা' (১৯২৭) তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা পত্রোপন্যাস বা চিঠির আকারে লেখা । 'মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০) একটি কালজয়ী উপন্যাস এবং 'কুহেলিকা' (১৯৩১) তাঁর রাজনৈতিক উপন্যাস । 

14.

'উচ্ছ্বাস' শব্দটির প্রতিশব্দ নয় কোনটি?

ক) স্ফুরণ
খ) উদ্ভাসিত
গ) স্ফীতি
ঘ) বিকাশ
Note :

উচ্ছ্বাস শব্দের প্রতিশব্দ গুলো হল - প্রবল ভাবাবেগ, উল্লাস, বিকাশ, স্ফূরণ, নিঃশ্বাস ইত্যাদি। উদ্ভাসিত অর্থ উন্মোচিত, বিকশিত।

15.

আমার জ্বর জ্বর লাগছে' এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) মিশ্র
খ) যৌগিক
গ) দ্বিরুক্ত
ঘ) সরল
Note :

- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- যেমন: আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
- প্রদত্ত উদাহরণটিতে একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া 'লাগছে' বিদ্যমান।
- সুতরাং, এটি সরল বাক্য।

অন্যদিকে,
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
- বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
- যেমন: আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
- প্রদত্ত উদাহরণে 'জ্বর জ্বর' দ্বিরুক্তি দ্বারা ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে।

16.

নাবিক শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হল--

ক) নৌ + ইক
খ) নবৌ + ইক
গ) নবো + ইক
ঘ) ন + ইক
Note :

সঠিক উত্তর নৌ +ইক

'নাবিক' এর সন্ধি বিচ্ছেদ নৌ + ইক। ও/ঔ এরপরে অন্য কোন স্বরধ্বনি আসলে ‘ও’ এর জায়গায় ‘অব’ এবং ‘ঔ’ এর জায়াগায় ‘আব’ হয়। ঔ + ই = আব + ই নৌ + ইক = নাবিক।

17.

”সূর্য” এর সমার্থক প্রতিশব্দ--

ক) হিরণ
খ) দ্যুলোক
গ) মিহির
ঘ) ধরিত্রী
Note :

সূর্য /বিশেষ্য পদ/ ভাস্কর, আদিত্য, রবি, তপন, ভানু, দিবাকর, মার্তন্ড, বিভাবসু, মিত্র, মিহির, পূষা, প্রভাকর।

18.

”লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু” -এর ইংরেজি অনুবাদ কোনটি?

ক) Greed leads to sin and to death
খ) Greed leaded to sin and to death
গ) Greed leading to sin and to death
ঘ) Greed leads to sin and death
Note :

সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো: :-"Greed leads to sin, sin leads to death." 

 


 

19.

শুদ্ধ বানানের শব্দ গুচ্ছ---

ক) স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
খ) ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষা
গ) যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা
ঘ) ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত
Note :

সঠিক উত্তর গুচ্ছ: যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা l  বানানের নিয়ম ও বিশ্লেষণ:

যশলাভ: যশ + লাভ = যশলাভ (এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ লোপ পেয়েছে)।

সদ্যোজাত: সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত (বিসর্গ ও জ-এর সন্ধিতে ও-কার হয়েছে)।

সম্বর্ধনা: সম্ + বর্ধনা = সম্বর্ধনা (ম-এর পর ব থাকায় 'ম' অক্ষুণ্ণ রয়েছে বা অনুস্বার না হয়ে 'ম' হয়েছে। তবে আধুনিক বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী 'সংবর্ধনা' বানানটিও বহুল প্রচলিত ও শুদ্ধ)।

20.

নির্মল-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?

ক) প্রফুল্ল
খ) বিশুদ্ধ
গ) পঙ্কিল
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

নির্মল-এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো পঙ্কিল।  নির্মল শব্দের অর্থ হলো: স্বচ্ছ, ময়লাহীন বা পবিত্র। পঙ্কিল শব্দের অর্থ হলো: কর্দমাক্ত, কাদাযুক্ত বা আবিল। 

21.

'যা কষ্টে জয় করা যায়।' --এক কথায় কী হবে?

ক) কষ্টার্জিত
খ) পরিশ্রমলব্ধ
গ) দুর্জয়
ঘ) দুর্লভ
Note :

সঠিক উত্তর দুর্জয়

'যা কষ্টে জয় করা যায়। ' - - এক কথায় প্রকাশ হবে - দুর্জয়। একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । যেমন : যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ। আয় অনুসারে ব্যয় করে যে - মিতব্যয়ী।

22.

”ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ” কে রচনা করেন?

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) সুকুমার সেন
Note :

”ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ” সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম : ২৬শে নভেম্বর, ১৮৯০— মৃত্যু : ২৯শে মে, ১৯৭৭) একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

অধ্যাপক তারাপুরওয়ালা'র কাছে আবেস্তা অধ্যয়ন করেন। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে ৩ খণ্ডের দি অরিজিন এন্ড ডেভেলপম্যান্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থখানি রচনা করে অসাধারণ বিদ্যাবত্তার পরিচয় প্রদান করেন।

অন্যান্য রচনাবলি হলো: বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার, কিরাত জনকৃতি, ভারত - সংস্কৃতি(১৯৪৪), বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা(১৯২৯), পশ্চিমের যাত্রী(১৯৩৮), ইউরোপ ভ্রমণ, জাতি সংস্কৃতি সাহিত্য(১৯৩৮), ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা(১৯৪৪), সংস্কৃতি কী, দ্বীপময় ভারত(১৯৬৫), রবীন্দ্র সঙ্গমে(১৯৬৫), শ্যামদেশ(১৯৬৫) ইত্যাদি।

23.

প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন কোনটি?

ক) কোলন
খ) সেমিকোলন
গ) ড্যাশ
ঘ) প্রশ্নচিহ্ন
Note :

ব্যাক্যের শেষে বসানো বিরামচিহ্নগুলোকে বলে প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।  

প্রান্তিক বিরামচিহ্ন ৩টি। 

যথাঃ 

১. দাড়ি/পূর্ণচ্ছেদ (।) 

২. প্রশ্ন/জিজ্ঞাসা চিহ্ন (?) 

৩. আশ্চর্য/বিস্ময় চিহ্ন (!) 

24.

'হারামণি' কোন সমাস (হারিয়েছে যে মণি)?

ক) তৎপুরুষ
খ) কর্মধারয়
গ) বহুব্রীহি
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

'হারামণি' শব্দটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।ব্যাসবাক্য হলো: হারিয়েছে যে মণি।

25.

কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) নিশীথিনী
খ) নিশিথিনি
গ) নিশীথিনি
ঘ) নিশীথীণী
Note :

শুদ্ধ বানান- নিশীথিনী।

আর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানানঃ
• বিকিরণ,
• মুমূর্ষু,
• কৃষিজীবী,
• মরীচিকা,
• দধীচি,
• মন্ত্রিপরিষদ,
• শিরশ্ছেদ

26.

”মহর্ষি” কোন সমাস?

ক) কর্মধারয়
খ) দ্বন্দ্ব
গ) তৎপুরুষ
ঘ) দ্বিগু
Note :

"মহর্ষি" শব্দটি কর্মধারয় সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো: মহান যে ঋষি।  এখানে 'মহৎ' বা 'মহান' হলো বিশেষণ এবং 'ঋষি' হলো বিশেষ্য পদ। বিশেষণ ও বিশেষ্য পদ মিলে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়, যেখানে পরপদের (ঋষি) অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়। 

27.

‘অনির্বচনীয়’ শব্দের অর্থ-

ক) সুনিশ্চিত
খ) নির্বাচনযোগ্য নয়
গ) বর্ণনাতীত
ঘ) অনিশ্চিত
Note :

'অনিবচনীয়’  শব্দের অর্থ - অনন্য   /বিশেষ্য পদ/ অন্যের সহিত সম্বন্ধ বর্জিত। অভিন্ন, অদ্বিতীয়, একমাত্র; অনুপম।

সম্পর্কিত শব্দ:

অননুকরণীয়, অননুমত,  অননুমেয়,  অননুশীলন । 

28.

'মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছে' এ বাক্যে দেখাচ্ছে কোন ক্রিয়া?

ক) অসমাপিকা
খ) সমাপিকা
গ) দ্বিকর্মক
ঘ) প্রযোজক
Note :

মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছে' —এই বাক্যে 'দেখাচ্ছে' হলো প্রযোজক ক্রিয়া। যে ক্রিয়া অন্য কারও দ্বারা পরিচালিত বা সম্পাদিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। এখানে মা নিজে না দেখে খোকাকে চাঁদ দেখার কাজটি করাচ্ছেন, তাই এটি প্রযোজক ক্রিয়ার উদাহর

29.

'যার দুই হাত সমান চলে' তাকে এক কথায় কী বলে?

ক) সমান তালী
খ) সব্যচাষি
গ) সব্যসাচী
ঘ) দু'হাতি
Note :

যার দুই হাত সমান চলে – সব্যসাচী

দুই হাত দিয়ে - দোহাতি।

চুরির অভ্যাস - হাতটান।

30.

নিচের কোনটি যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন?

ক) আ
খ) ঔ
গ) উ
ঘ) ঊ
Note :

ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন বা প্রতীক। বাংলায় 'ঐ' এবং 'ঔ'—এই দুটিকে যৌগিক স্বরধ্বনি (বা দ্বিস্বর) বলা হয়। 'ঔ' মূলত দুটি স্বরধ্বনির মিলনে গঠিত হয়, যেমন: অ + উ।

31.

'লবণ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----

ক) লো + অন
খ) লব + অন
গ) লোব + অন
ঘ) লু + বন
Note :

স্বরবর্ণ পড়ে থাকলে 'এ' কারের স্থানে 'অয়', ঐ - কারের স্থানে আয়, ও - কারের স্থানে অব, এবং ঐ - কারের স্থানে 'আব' হয়। ও + অ = অব + অ অর্থাৎ লো + অন = লবণ।

32.

”রান্না” -এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) রান + না
খ) রাঁদ + না
গ) রান্ন + আ
ঘ) রাঁধ্‌ + না
Note :

রান্না" শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাঁধ্ + না। 

এটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। আপনার উল্লেখ করা "রাঁধে + না" রূপটি সঠিক নয়।

সন্ধির নিয়ম ও ব্যাখ্যা নিয়ম (সমীভবন): খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পূর্ব পদের শেষে যদি 'ধ্' থাকে এবং পর পদের শুরুতে 'ন' থাকে, তবে 'ধ্' ধ্বনিটি পরবর্তী 'ন' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ রূপান্তরিত হয়।

প্রক্রিয়া: রাঁধ্ + না → রাঁন্ + না = রান্না।

অনুরূপ উদাহরণ: একই নিয়মে 'কান্না' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হয় কঁাদ্ + না

33.

কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) সদ্যজাত
খ) সদেদআজাত
গ) সদ্যোজাত
ঘ) সদব্যজাত
Note :

 সঠিক বানান: সদ্যোজাত। 

-সদ্যোজাত শব্দের অর্থ - নবজাতক, যে সবেমাত্র জন্মেছে এমন। 

-প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ।

34.

দুদান্ত এ বিপরীত শব্দ কোনটি?

ক) সুবিনীত
খ) কোমল
গ) নিরীহ
ঘ) সস্থির
Note :

'দুর্দান্ত' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো নিরীহ। এ ছাড়াও এর আরও কিছু বিপরীতার্থক শব্দ রয়েছে, যেমন: সুবিনীত ,কোমল, শান্ত

35.

বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?

ক) চিরসুখ
খ) সুগন্ধি
গ) খেয়াঘাট
ঘ) আজীবন
Note :

সঠিক উত্তর সুগন্ধি

বহুব্রীহি সমাস চেনার উপায় হলো এই সমাসে সমস্যমান পদ গুলোর কোনটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য পায়। ব্যাসবাক্য যে, যিনি, যার প্রভৃতি শব্দ থাকে।

36.

কোনটি “ক্ষুধার্ত” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ?

ক) ক্ষুধা + আর্ত
খ) ক্ষুৎ + ঋর্ত
গ) ক্ষুধ +আর্ত
ঘ) ক্ষুধা + ঋত
Note :

ক্ষুধার্ত শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ক্ষুধা + আর্ত (স্বরসন্ধি)। 

সন্ধির নিয়ম: ক্ষুধা (আ) + আর্ত (আ) = মিলে 'আ' হয়।

যেমন: ক্ষুধা + আর্ত = ক্ষুধার্ত। 

37.

”সাক্ষী গোপাল” এর অর্থ কী?

ক) নিষ্ক্রিয় দর্শক
খ) কর্তব্যবিমুখ
গ) সক্রিয় দর্শক
ঘ) কর্তব্যপরায়ণ
Note :

সাক্ষী গোপাল বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা যার কোন ভূমিকা নেই।

38.

লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ কোনটি?

ক) সাহেব
খ) বিয়াই
গ) সতী
ঘ) কবিরাজ
Note :

কবিরাজ' বা 'ঢাকি' - এই ধরনের শব্দগুলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ যার কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই।

39.

কোন বানানটি শুদ্ধ?,,,

ক) বিভিষীকা
খ) বীভিষিকা
গ) বিভীষিকা
ঘ) বীভিষীকা
Note :

বিভীষিকা - [বিশেষ্য পদ] ভয়জনক দৃশ্য, ভয়প্রদর্শন, ভীষণ ভয়, আতঙ্ক।

40.

'ডাক্তার ডাক ' বাক্যটিতে 'ডাক্তার' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
খ) কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
গ) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
ঘ) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
Note :

⇒ ‘কাকে’ ডাকতে হবে? উত্তর হলো— ‘ডাক্তার’কে। যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া (ডাকা) সম্পাদিত হয়, তাকে কর্ম কারক বলে।
⇒ এখানে ‘ডাক্তার’ শব্দটি কর্মপদ।
⇒ ‘ডাক্তার’ শব্দের শেষে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: -কে, -রে, -এর) যুক্ত নেই। মূল শব্দটিই বসেছে।
⇒ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দে কোনো বিভক্তি স্পষ্ট না থাকলে সেখানে ‘শূন্য বিভক্তি’ বা ‘প্রথমা বিভক্তি’ ধরা হয়।
⇒ সুতরাং, এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।

41.

'গবেষণা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----

ক) গ + এষণা
খ) গো + ষণা
গ) গ + ষণা
ঘ) গো + এষণা
Note :

গবেষণা' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো গো + এষণা

42.

"আলোয়" আঁধার কাটে ---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্তায় ৭মী
খ) কর্মে ৭মী
গ) করণে ৭মী
ঘ) অপাদানে ৭মী
Note :

"আলোয়" আঁধার কাটে --- বাক্যে 'আলোয়' শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী (৭মী) বিভক্তি। 

43.

কুটিল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) সোজা
খ) অকৃত্রিম
গ) সরল
ঘ) অকুটিল
Note :

'কুটিল' শব্দটির প্রধান ও সর্বাধিক ব্যবহৃত বিপরীত শব্দ হলো 'সরল'

44.

'দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন' -এক কথায় বলে-

ক) সন্ধ্যাকাল
খ) আলোছায়া
গ) সায়াহ্ন
ঘ) গোধূলী
Note :

সঠিক উত্তর হলো: গোধূলি (বিকল্প D)

ব্যাখ্যা:
'দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন'-কে এক কথায় বলা হয় গোধূলি। গবাদি পশুরা যখন দিনের শেষে চারণভূমি থেকে ঘরে ফেরে, তখন তাদের খুরের আঘাতে যে ধুলো ওড়ে এবং সেই সময়কার বিশেষ আলো-আঁধারি পরিবেশকেই আক্ষরিক অর্থে 'গোধূলি' বলা হয়।

45.

'আয়ু যেন পদ্ম পাতায় নীর'- বাক্যে পদ্ম পাতায় কোন কারক?

ক) কর্মকারক
খ) করণ কারক
গ) অপাদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক
Note :

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধার বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। তাই এই বাক্যে ‘পদ্ম পাতায়’ অধিকরণ কারক হবে কারণ এটি স্থানকে নির্দেশ করে ।

46.

যা বলা হবে' এর বাক্য সংকোচন কোনটি?

ক) বক্তব্য
খ) উক্ত
গ) বাক্য
ঘ) ভবিতব্য
Note :

যা বলা হবে = বক্তব্য। 

বলা হয়েছে এমন = উক্ত। 

ভাগ্য বা নিয়তি ভবিতব্য । 

অনুমান করা হয়েছে এমন -অনুমিত।

47.

স্ত-ব-দস্ত কথার অর্থ কি?

ক) বন্ধু বনাম বন্ধু
খ) খেতে-খেতে
গ) হাতে-হাতে
ঘ) আস্তে-আস্তে
Note :

দস্ত - বস্ত কথার অর্থ হাতে - হাতে।

দস্ত বস্ত শব্দটি ফারসি দসত বসতহ শব্দ থেকে এসেছে। [তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান। ]

48.

'পদ্ধতি' শব্দের সন্ধি- বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) পদ্‌ + হতি
খ) পৎ + হতি
গ) পদ্‌ + ধতি
ঘ) পৎ + ধতি
Note :

পদ্ধতি' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: পদ + হতি

49.

মন না মতি বাগধারাটির অর্থ কী ?

ক) অরাজগ
খ) অপদার্থ
গ) মূল্যবান
ঘ) অস্থির মানব মন
Note :

মন না মতি বাগধারাটির অর্থ হলো অস্থির মানব মন। যার মন কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে স্থির থাকে না বা সবসময় পরিবর্তনশীল, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। 

50.

'ছায়া হরিণ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

ক) সৈয়দ আলী আহসান
খ) শামসুর রাহমান
গ) আহসান হাবীব
ঘ) ফররুখ আহমদ
Note :

'ছায়াহরিণ' (বা ছায়া হরিণ) বিখ্যাত বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক আহসান হাবীবের লেখা একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়,১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই আহসান হাবীব মৃত্যুবরণ করেন। কাব্যগ্রন্থঃ রাত্রিশেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪) 

উপন্যাসঃ রাণী খালের সাঁকো (১৯৬৫), আরণ্য নীলিমা (১৯৬২) 

শিশু সাহিত্যঃ জোছনা রাতের গল্প, ছুটির দিন দুপুরে, বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade