টপিকঃ প্রাইমারি প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 50 Qs

1.

আমি কি ডরাই সখি ভিখারী "রাঘবে"?--বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্মে ২য়া
খ) অপাদানে ৭মী
গ) করণে ৭মী
ঘ) অপাদানে ৫মী
Note :

"আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে"—এই বাক্যের 'রাঘবে' শব্দটি হলো অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তিব্যাকরণিক কারণ: যার কাছ থেকে কোনো কিছু ভীত, রক্ষিত, বিরত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে。 যেহেতু এখানে 'ভিখারি রাঘব' (শ্রী রাম)-এর প্রতি ভয়ের কথা বোঝানো হয়েছে, তাই 'রাঘবে' অপাদান কারক। এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি。

2.

নিকুঞ্জ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি?

ক) বাগান
খ) পাখির বাসা
গ) খড়ের ঘর
ঘ) খেলার মাঠ
Note :

নিকুঞ্জ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো বাগান, উপবন, উদ্যান বা লতাত দ্বারা আবৃত কোনো লতাগৃহ。সহজ কথায়, লতাপাতা ও ফুলের গাছপালায় ঘেরা কোনো মনোরম বা ছায়াঢাকা জায়গাকেই নিকুঞ্জ বলা হয়

3.

'অন্ধকার'এর সমার্থক শব্দ নয় -----

ক) তিমির
খ) কাজল
গ) আঁধার
ঘ) অমানিশা
Note :

'কাজল' এর সমার্থক শব্দ: অঞ্জন, সুরমা, মসি। আর 'অন্ধকার' এর সমার্থক শব্দ: আঁধার, তিমির, অমানিশা, তমসা, তম, তমিস্র।

4.

”উচাটন”-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) ঊর্ধ্বটান
খ) প্রশান্ত
গ) উঁচুনিচু
ঘ) উত্তাল
Note :

”উচাটন”-এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রশান্ত।
বিশ্লেষণ:
উচাটন শব্দের অর্থ: অস্থির, উৎকণ্ঠিত বা চঞ্চল।
প্রশান্ত শব্দের অর্থ: শান্ত, ধীরস্থির বা নিস্তরঙ্গ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: প্রশান্ত (অপশন B)।

5.

কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) গনণা
খ) গণনা
গ) গণণা
ঘ) গণন
Note :

গণনা হলো শুদ্ধ বানান

6.

সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কোন জেলায়?

ক) টাঙ্গাইল
খ) পাবনা
গ) ফেনী
ঘ) কুষ্টিয়া
Note :

মীর মশাররফের জন্মস্থান - কুষ্টিয়া জেলা।

সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে (বর্তমান বাংলাদেশ) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার লেখাপড়ার জীবন কাটে প্রথমে কুষ্টিয়ায়, পরে ফরিদপুরের পদমদীতে ও শেষে কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। তার জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় ফরিদপুরের নবাব এস্টেটে চাকরি করে। তিনি কিছুকাল কলকাতায় বসবাস করেন।

7.

কচু বনে কাঁলাচাদ’ বাগধারাটির অর্থ কী?

ক) সৌখিন ব্যক্তি
খ) নিরীহ ব্যক্তি
গ) অপদার্থ
ঘ) সাদাসিধা লোক
Note :

'কচু বনের কালাচাঁদ' বাগধারাটির সঠিক অর্থ অপদার্থ বা অকর্মণ্য। এটি মূলত এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যে কোনো কাজের নয় এবং শুধু অহেতুক সময় নষ্ট করে l

8.

'তুমি না বলেছিলো এখানে আসবে"- এখানে 'না' এর ব্যবহার কি অর্থে ?

ক) প্রশ্নবোধক
খ) না-বোধক
গ) বিস্ময়সূচক
ঘ) 'হ্যা' বোধক
Note :

প্রদত্ত বাক্যে ‘না’ এর ব্যবহার ‘হ্যাঁ' বোধক।
-কারণ, মনে রাখবেন- নেতিবাচক/না বোধক বাক্য দ্বারা ‘প্রশ্ন করলে’ সবসময় হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। যেমনঃ
- রবীন্দ্রনাথের বই যে ভাল, তা কি আমি জানি না? -এখানে বক্তা আসলে জানেন যে, রবীন্দ্রনাথের বই ভাল।
-এরূপ- উক্ত বাক্যে আগামী কাল আসার বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রকাশে না এর ব্যবহার হয়েছে, যা মূলত নিশ্চয়তা জ্ঞাপক বিবৃতি প্রকাশ করছে। তাই শুদ্ধ উত্তর হ্যাঁ- বাচক।
এরূপ- বিভিন্ন অর্থে ‘না’ অব্যয়টি ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-
নিষেধ অর্থেঃ এখন যেও না (ক্রিয়া বিশেষণ) ।
বিকল্প প্রকাশে : তিনি যাবেন, না হয় আমি যাব।
আদর প্রকাশে বা অনুরোধে : আর একটি মিষ্টি খাও না খোকা। আর একটা গান গাও না
সম্ভাবনায় : তিনি না কি ঢাকায় যাবেন।
বিস্ময়ে : কী করেই না দিন কাটাচ্ছ!
তুলনায় : ছেলে তো না, যেন একটা হিটলার।

9.

"আলোয়" আঁধার কাটে---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) অধিকরণে ৭মী
খ) করণে ৭মী
গ) অপাদানে ৭মী
ঘ) কর্তায় ৭মী
Note :

"আলোয়" আঁধার কাটে— বাক্যে উদ্ধৃত 'আলোয়' শব্দটি করণ কারকে ৭মী (সপ্তমী) বিভক্তিকারক: আলো বা আলোর সাহায্যে (মাধ্যম) অন্ধকার দূর হয়, তাই এটি করণ কারক।বিভক্তি: 'আলো' শব্দের সাথে 'য়' যুক্ত হয়েছে, যা বাংলায় ৭মী বা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক।

10.

‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি?

ক) মেধা+ বিন্‌
খ) মেধা +বি
গ) মেধা+বী
ঘ) মেধা+আবী
Note :

সঠিক উত্তর মেধা+ বিন্‌

‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি - প্রত্যয় হল  মেধা + বিন   ধাতু বা ক্রিয়ার সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - রাঁধ + উনি = রাঁধুনি, ডুব + অন্ত = ডুবন্ত। শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন - মেধা + বীন = মেধাবী, বর্ষ + ইক = বার্ষিক। ‘বিন’ ( - বী) প্রত্যয়টি ‘আছে’ অর্থে যুক্ত হয়। ‘বিন’ প্রত্যয়টি প্রথমার একবচনে পুংলিঙ্গ ‘বী’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘বিনী’ এবং সমাসে পূর্বপদে হলে ‘বি’ হয়। যেমন - মেধাবী, মেধাবিনী, মায়াবী, মায়াবিনী ইত্যাদি।

11.

"আজকে" নগদ কালকে ধার ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) অপাদানে ২য়া
খ) অধিকরণে ২য়া
গ) কর্মে শূন্য
ঘ) করণে ২য়া
Note :

" 'আজকে' নগদ কালকে ধার " বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণ কারকে ২য়া বিভক্তি।

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।

অধিকরণ কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হলো যেমন: মন আমার নাচে রে আজিকে।

12.

শুদ্ধ বানান কোনটি?,

ক) গৃহস্ত
খ) গ্রীহস্ত
গ) গৃহস্থ
ঘ) গ্রীহস্থ
Note :

গৃহস্থ শব্দের শুদ্ধ বানান হলো: গৃহস্থ (গ-ঋ-হ-স-

13.

”নাবিক” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) নৌ + ইক
খ) ন + ইক
গ) নব + ইক
ঘ) নবৌ + ইক
Note :

সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: নৌ + ইকব্যাকরণগত নিয়ম: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ও’ বা ‘ঔ’-এর পর কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ‘ও’ স্থানে ‘অব্’ এবং ‘ঔ’ স্থানে ‘আব্’ হয়।
এখানে, নৌ (ঔ) + ইক = নাবিক (আব্ + ইক)। 

14.

”প্রকৃতি” বলতে কি বুঝায়?

ক) শব্দের মূল
খ) শব্দ ও ধাতুর মূল
গ) ধাতুর মূল
ঘ) প্রত্যয়যুক্ত শব্দ
Note :

”প্রকৃতি” বলতে শব্দ ও ধাতুর মূল বুঝায় ।

প্রকৃতি মূলত দুই প্রকার। যথা : নাম প্রকৃতি ও ক্রিয়া প্রকৃতি।

15.

কোন বানানটি শুদ্ধ?,,,

ক) বিভিষীকা
খ) বীভিষিকা
গ) বিভীষিকা
ঘ) বীভিষীকা
Note :

বিভীষিকা - [বিশেষ্য পদ] ভয়জনক দৃশ্য, ভয়প্রদর্শন, ভীষণ ভয়, আতঙ্ক।

16.

. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) মুমুর্ষূ
খ) মূমূর্ষ
গ) মূমূর্ষু
ঘ) মুমূর্ষু
Note :

মুমূর্ষু বানানটি শুদ্ধ。বানান বিশ্লেষণ:

প্রথমে -এ হ্রস্ব উকার (মু)

মাঝে -এ দীর্ঘ উকার (মূ)

শেষে -এ রেফ এবং হ্রস্ব উকার (র্ষু)

17.

বাগধারা যুগলের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থক?

ক) অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম
খ) বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
গ) রুই কাতলা; কেউকেটা
ঘ) বক ধার্মিক; ভিজে বিড়াল
Note :

বক ধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী - উভয় বাগধারার অর্থই হলো 'ভণ্ড সাধু' বা কপট ব্যক্তি। তাই এটি সমার্থক জোড়া।

18.

মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে- এখানে বৃষ্টি শব্দটি কোন কর্তা?

ক) ব্যাতিহার কর্তা
খ) মুখ্য কর্তা
গ) প্রযোজক কর্তা
ঘ) প্রযোজ্য কর্তা
Note :

- যে কর্তা নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে থাকে, তাকে মুখ্য কর্তা বলে।
- যেমন: মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে। প্রদত্ত বাক্যে ক্রিয়া 'পড়া' (পড়ছে) কাজটি বৃষ্টি নিজেই সম্পাদন করছে। মেয়েরা ফুল তোলে। এ বাক্যে ক্রিয়া 'তোলা' (তোলে) কাজটি মেয়েরা নিজেরাই সম্পাদন করছে।
- সুতরাং, বাক্যে বৃষ্টি ও মেয়েরা মুখ্য কর্তা।

19.

'আমরণ' কোন সমাস (মরণ পর্যন্ত)?

ক) তৎপুরুষ
খ) কর্মধারয়
গ) অব্যয়ীভাব
ঘ) বহুব্রীহি
Note :

'আমরণ' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসব্যাসবাক্য: মরণ পর্যন্ত

20.

কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?

ক) পর+পর=পরস্পর
খ) বাক+দান=বাগদান
গ) উৎ+ছেদ=উচ্ছেদ
ঘ) সম+সার=সংসার
Note :

এখানে, পর + পর = পরস্পর সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ। ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারে যখন কোনো কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার নাম নিপাতনে সিদ্ধ।

21.

'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত ?

ক) বিপরীত
খ) অভাব
গ) নিখুঁত
ঘ) নিকৃষ্ট
Note :

'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়।  'মান' শব্দের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে 'মান'-এর পূর্বে 'অপ' উপসর্গ যোগ করে 'অপমান' শব্দটি তৈরি হয়েছে

22.

কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) অহংকার
খ) অহঙ্কার
গ) অহঞ্ঝার
ঘ) ক ও খ দুটিই
Note :

ক ও খ দুটিই উভয় বানানই শুদ্ধ  |অহংকার: আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, পদের মধ্যে ও-কারান্ত বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত না থাকলে 'ঙ' এর স্থানে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করা শ্রেয়। তাই আধুনিক বানানে অহংকার বেশি \  অহঙ্কার: এটি প্রাচীন বা সংস্কৃত (তৎসম) সন্ধির নিয়ম মেনে তৈরি রূপ (অহম্ + কার = অহঙ্কার)। এটিও সম্পূর্ণ সঠিক এবং অভিধানসিদ্ধ।

23.

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা কোনটি?

ক) ১০
খ) ৮
গ) ১১
ঘ) ৯
Note :

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ১০টি। এর মধ্যে ৪টি স্বরবর্ণ এবং ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।মাত্রাবিহীন স্বরবর্ণ (৪টি): এ, ঐ, ও, ঔ।

মাত্রাবিহীন ব্যঞ্জনবর্ণ (৬টি): ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ

24.

”চপল” এর বিপরীত শব্দ-

ক) স্তব্ধ
খ) রাশভারী
গ) ঠান্ডা
ঘ) গম্ভীর
Note :

চপল' শব্দটির অর্থ হলো চঞ্চল । আর 'চপল' এর বিপরীত শব্দ হলো গম্ভীর. রাশভারী অর্থ গম্ভীরপ্রকৃতির লোক, সহসা যার সাথে কথা বলতে সঙ্কোচ হয়.

25.

ব্যাকরণ শব্দটি হলো--

ক) তৎসম
খ) অর্ধ-তৎসম
গ) তদ্ভব
ঘ) দেশী
Note :

'ব্যাকরণ' শব্দটি হলো সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।

ব্যাকরণ শব্দের গঠন ও অর্থ:

ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ: বি + আ + কৃ + অন।

আক্ষরিক অর্থ: বিশেষভাবে বা সম্যকরূপে বিশ্লেষণ

26.

'ছায়াশীতল' কোন সমাস (ছায়াতে শীতল) ?

ক) তৎপুরুষ
খ) বহুব্রীহি
গ) কর্মধারয়
ঘ) দ্বিগু
Note :

পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। উদাহরণঃ ধানের ক্ষেত = ধানক্ষেত, ছায়াতে শীতল = ছায়াশীতল।

27.

কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

ক) There is no place for doubt in it.
খ) There is no suspension in it.
গ) There is no room for doubt in it.
ঘ) There is no misunderstanding in it.
Note :

সঠিক বাক্যটি হলো: "There is no room for doubt in it." 

28.

'মাঠে ধান ফলেছে' -বাক্যে 'মাঠে' কোন কারক?

ক) কালাধিকরণ
খ) স্থানাধিকরণ
গ) বিষয়াধিকরণ
ঘ) ভাবাধিকরণ
Note :

মাঠে ধান ফলেছে' -বাক্যে 'মাঠে' শব্দটি স্থানাধিকরণ কারক। 

ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। যেহেতু 'ধান ফলানোর' কাজটি একটি নির্দিষ্ট স্থান বা মাঠে সম্পন্ন হচ্ছে, তাই এটি স্থানবাচক অধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কারক। 

29.

”কালির দাগ দাও” বাক্যে “কালির” শব্দটির কোন সমাসে কোন বিভক্তি?

ক) অধিকরণে শূন্য
খ) অপাদানে শূন্য
গ) করণে ষষ্ঠী
ঘ) কর্মে ২য়া
Note :

”কালির দাগ দাও” বাক্যে “কালির” শব্দটি করণে ষষ্ঠী বিভক্তি।

করণ শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়কেই করণ কারক বলে।

30.

. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) রীতিনীতি
খ) রীতিনিতি
গ) রিতীনীতি
ঘ) রিতীনিতী
Note :

সঠিক উত্তর হলো রীতিনীতি l বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'রীতি' এবং 'নীতি' দুটি শব্দই দীর্ঘ-ঈ কার (ী) দিয়ে গঠিত। শব্দ দুটি সন্ধি বা সমাসবদ্ধ হয়ে যখন একসাথে 'রীতিনীতি' হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন উভয় অংশের দীর্ঘ-ঈ কার (ী) অপরিবর্তিত থাকে।

31.

নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?

ক) জবা কুসুম
খ) তিমির বিদারী
গ) সলীল সমাধী
ঘ) যৌবন সূর্য
Note :

অশুদ্ধ: সলীল সমাধী । 

শুদ্ধ:  সলিল সমাধি অর্থ হলো জলে ডুবে মৃত্যু বা জলে ডুবে বিনাশ হওয়া। ইংরেজিতে একে 'Watery grave' বলা হয়। সাধারণত নদী, সমুদ্র বা কোনো জলাশয়ে ডুবে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা নৌকা-জাহাজ ডুবিতে সলিল সমাধি ঘটেছে বলে বোঝানো হয়। 

32.

ক্ষুধিত পাষাণ কোন সমাস?

ক) বহুব্রীহি
খ) কর্মধারয়
গ) তৎপুরুষ
ঘ) দ্বন্দ্ব
Note :

'ক্ষুধিত পাষাণ' কর্মধারয় সমাসব্যাস বাক্য: ক্ষুধিত যে পাষাণ। ব্যাখ্যা: এখানে 'ক্ষুধিত' (বিশেষণ) এবং 'পাষাণ' (বিশেষ্য) মিলে এই সমাস গঠিত হয়েছে। যে কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়, তাকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে

33.

.'অধোগতি' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) অধ + গতি
খ) অধঃ + গতি
গ) অধ + অগতি
ঘ) অধঃ + অগতি
Note :

অ - কারের পরস্থিত স্ - জাত বিসর্গ এর পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি, কিংবা অন্তস্থ য, অন্তস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ - কার ও স্ - জাত বিসর্গ উভয়স্থলে ও - কার হয়। যেমন:

অধঃ + গতি = অধোগতি।

34.

”বিদিত” শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?

ক) গৃহীত
খ) বিদীর্ণ
গ) বিসর্জন
ঘ) অজ্ঞাত
Note :

বিদিত শব্দের অর্থ পরিজ্ঞাত, জানা আছে এমন, অবগত। সুতরাং বিদিত এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো অজ্ঞাত।

35.

নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?

ক) আমার কথাই প্রমাণীত হলো
খ) আমার কথাই প্রমাণিত হলো
গ) আমার কথাই প্রমাণ হলো
ঘ) আমার কথাই প্রমান হলো
Note :

সঠিক বাক্যটি হলো: "আমার কথাই প্রমাণ হলো।" কারণ: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'প্রমাণিত' শব্দটি একটি বিশেষণ যেমন: বিষয়টি প্রমাণিত)। তাই বাক্যের ক্রিয়াপদ হিসেবে 'প্রমাণ হলো' ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং আদর্শ। 'প্রমাণিত হলো' লিখলে বিশেষ্য ও বিশেষণের নিয়মজনিত ভুল হয়। 

36.

"বাড়ি থেকে" নদী দেখা যায়- কোন কারকে কোন বিভক্তি ?

ক) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
খ) অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
গ) অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
ঘ) অধিকরণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
Note :

সঠিক উত্তর অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি

ক্রিয়ার আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থান বা যে বিষয়টি আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে বিষয়, সময় বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমন: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায় এ বাক্যে রেখা চিহ্নিত অংশটি অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।

37.

”রান্না” -এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) রান + না
খ) রাঁদ + না
গ) রান্ন + আ
ঘ) রাঁধ্‌ + না
Note :

রান্না" শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাঁধ্ + না। 

এটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। আপনার উল্লেখ করা "রাঁধে + না" রূপটি সঠিক নয়।

সন্ধির নিয়ম ও ব্যাখ্যা নিয়ম (সমীভবন): খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পূর্ব পদের শেষে যদি 'ধ্' থাকে এবং পর পদের শুরুতে 'ন' থাকে, তবে 'ধ্' ধ্বনিটি পরবর্তী 'ন' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ রূপান্তরিত হয়।

প্রক্রিয়া: রাঁধ্ + না → রাঁন্ + না = রান্না।

অনুরূপ উদাহরণ: একই নিয়মে 'কান্না' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হয় কঁাদ্ + না

38.

চাঁদমুখ এর ব্যাসবাক্য নিচের কোনটি?

ক) চাঁদ মুখ যার
খ) চাঁদের মত দেখতে মুখ
গ) চাঁদ রূপ মুখ
ঘ) চাঁদ মুখের ন্যায়
Note :

প্রশ্নে চাঁদমুখ বা চন্দ্রমুখ যাই বলুক না কেনো তা উপমিত কর্মধারয় সমাস উত্তর দিতে হবে এবং ব্যাসবাক্য হবে মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ। এখানে অপশনের ব্যাসবাক্যে যেহেতু মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ নাই তাই চাঁদ রূপ মুখ দিতে হবে, এক্ষেত্রে এটা রূপক কর্মধারয় হয়ে যাবে। এটা জগদীশ ঘোষ স্যারের আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ মতে।

39.

'Null and void'--- phrase --টির অর্থ কি?

ক) Good and bad
খ) Light and dark
গ) Advantage and disadvantage
ঘ) এর কোনটিই নয়
Note :

এর কোনটিই নয়।

40.

'আনন্দ' এর সমার্থক শব্দ নয় ---

ক) উচ্ছাস
খ) উল্লাস
গ) শ্রান্তি
ঘ) স্ফুরন
Note :

আনন্দ শব্দটির সমার্থক শব্দ : পুলক, হর্ষ , হরষ , আহ্লাদ, সুখ, স্ফূর্তি, ফুর্তি , সন্তোষ, পরিতোষ , উৎফুল্লতা, প্রফুল্লতা , প্রসন্নতা , আমোদ, প্রমোদ , হাসি, উল্লাস , হৃষ্টতা , মজা

শ্রান্তি - [বিশেষ্য পদ] বিরাম, পরিশ্রমজনিত অবসাদ, নিবৃত্তি।

41.

কোন দুটি বর্ণের পর ণ ও ষ হয় ?

ক) ত, থ
খ) ঋ, র
গ) ট, ঠ
ঘ) ই ,উ
Note :

'ণ' ব্যবহারের নিয়ম হলো ঋ,র,ষ এর পরে মূর্ধন্য ''ণ'' হয়।যেমনঃঋণ,তৃণ,বর্ণ, ব্যাকরণ, ইত্যাদি।
- আবার ''ষ'' ব্যবহারের নিয়ম হলো ''ঋ'' কারের পর ''ষ'' হয়। যেমনঃঋষি , কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
- আর তৎসম শব্দের 'র' এরপর 'ষ' হয়। যেমনঃবর্ষা ,ঘর্ষণ ,বর্ষণ, ইত্যাদি।

42.

'আগুন' এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি?

ক) অনল
খ) বহ্নি
গ) পাবক
ঘ) কর
Note :

আগুন শব্দের প্রতিশব্দ - অন, বহ্নি, পাবক, অগ্নি, হুতাশন, দহন ইত্যাদি।

কর শব্দের প্রতিশব্দ - হাত, বাহু, ভুজ, হস্ত ইত্যাদি।

তাই সঠিক উত্তর: কর।

43.

"সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে।" বাক্যে 'সুন্দর' শব্দটি কোন পদ?

ক) বিশেষ্য
খ) বিশেষণ
গ) সর্বনাম
ঘ) অব্যয়
Note :

সঠিক উত্তর বিশেষ্য

যে সমস্ত পদ দ্বারা ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, স্থান, কাল, কর্মের বা গুণের নাম বুঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। প্রদত্ত বাক্যে ‘সুন্দর' দ্বারা গুণের নাম বুঝানাে হয়েছে। তাই এটি বিশেষ্য পদ।

44.

পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে ---

ক) বহুব্রীহি সমাস
খ) দ্বন্দ্ব সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) তৎপুরুষ সমাস
Note :

পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।

45.

'অমৃত' এর বিপরীতার্থক শব্দ ---

ক) তিক্ত
খ) বিষাক্ত
গ) বিরল
ঘ) গরল
Note :

অমৃত এর বিপরীতার্থক শব্দ - গরল

46.

'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ কি?

ক) মন্দ ভাগ্য
খ) ভাল ভাগ্য
গ) ইঁদুরের মত কপালে
ঘ) ছোট কপালে
Note :

'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ মন্দ ভাগ্য।

ইঁদুর কপালে (মন্দ ভাগ্য) – এতো কষ্ট করেও সুখের মুখ দেখলে না, তুমি আসলেই একটা ইঁদুর কপালে।

47.

'যিনি অধিক কথা বলেন না।' --এক কথায় কী হবে?

ক) সংযত
খ) মিতভাষী
গ) অল্পভাষী
ঘ) সন্ন্যাসী
Note :

যিনি অধিক কথা বলেন না'—তাকে এক কথায় মিতভাষী বলা হয়।

48.

"মেঘলা" কি ধরনের শব্দ ?

ক) বিশেষ্য
খ) বিশেষণ
গ) বিশেষ্যের বিশেষণ
ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ
Note :

মেঘলা হলো একটি বিশেষণ বা বিশেষ্যের বিশেষণ পদ।যেহেতু এটি কোনো বিশেষ্য পদের (যেমন: আকাশ, দিন) অবস্থা বা দোষ-গুণ প্রকাশ করে (যেমন— 'মেঘলা আকাশ'), তাই এটি ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী বিশেষণ

49.

”সন্ধ্যা” শব্দের বিশেষণটি নির্দেশ করুন?

ক) সাঁঝ
খ) সন্ধ্যা
গ) সন্দা
ঘ) সান্ধ্য
Note :

”সন্ধ্যা” শব্দের বিশেষণটি হচ্ছে সান্ধ্য।

বাংলা ব্যাকরণ মতে– বাক্যে ব্যবহৃত যে প্রকার পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদকে বিশেষিত করে, তাকেই বিশেষণ বলে।

50.

তামার বিষ' বাগধারাটির অর্থ-

ক) ভীষণ বিষাক্ত
খ) নির্দয়
গ) অর্থের কুপ্রভাব
ঘ) তামা থেকে উৎপন্ন বিষ
Note :

'তামার বিষ' বাগধারার অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা ধনসম্পদের কারণে সৃষ্ট বিপদ। এটি কোনো শারীরিক বিষক্রিয়া বা নির্দয়তা বোঝায় না।

You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade