টপিকঃ প্রাইমারি প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 50 Qs

1.

'Null and void'--- phrase --টির অর্থ কি?

ক) Good and bad
খ) Light and dark
গ) Advantage and disadvantage
ঘ) এর কোনটিই নয়

2.

কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) সুশ্রুষা
খ) শুশ্রূষা
গ) সুশ্রুসা
ঘ) শুশ্রুষা
Note :

শুদ্ধ বানানটি হলো শুশ্রূষা

3.

পাপমুক্ত (পাপ হতে মুক্ত) কোন সমাস?

ক) কর্মধারয়
খ) তৎপুরুষ
গ) বহুব্রীহি
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

পাপমুক্ত এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলোঃ পাপ হতে মুক্ত। যা তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসকে নির্দেশ করে।

4.

তালব্যবর্ণ কোনগুলো?

ক) এ, ঐ
খ) ই, ঈ
গ) উ, ঊ
ঘ) ও, ঔ
Note :

যেসব বর্ণ বা ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে, সেগুলোকে তালব্যবর্ণ বলে। ই, ঈ ছাড়াও বাংলা ব্যাকরণে আরও কিছু বর্ণ এই তালব্যবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। 

তালব্যবর্ণের পূর্ণাঙ্গ তালিকা: স্বরবর্ণ: ই, ঈ ,ব্যঞ্জনবর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ

5.

”যত্ন করলে রত্ন মিলে”- এখানে “করলে” কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?

ক) অনুক্ত
খ) দ্বিকর্মক
গ) সমাপিকা
ঘ) অসমাপিকা
Note :

- যেসব ক্রিয়ার দ্বারা বাক্যের সমাপ্তি ঘটে না, সে সব ক্রিয়াকে বলে অসমাপিকা ক্রিয়া।
- এখানে ‘করলে’ ক্রিয়ার দ্বারা বাক্যের সমাপ্তি না ঘটায় এটি অসমাপিকা ক্রিয়া।

6.

”কিরণ” এর সমার্থক শব্দ নয়-----

ক) রশ্মি
খ) রবি
গ) কর
ঘ) প্রভা
Note :

'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় হলো রবি।  'রবি' শব্দটির অর্থ হলো সূর্য বা আদিত্য। 

অন্যদিকে, 'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: রশ্মি,কর,প্রভা,আলো,জ্যোতি

7.

প্রত্যেক ভাষার ৩টি মৌলিক অংশ হলো-

ক) ধ্বনি; শব্দ বাক্য
খ) বর্ণ; সমাস; সন্ধি
গ) সমাস; কারক; ধ্বনি
ঘ) পদ; বর্ণ; ধ্বনি
Note :

যেকোনো ভাষার কাঠামোগত ভিত্তি হলো ধ্বনি; সেই ধ্বনির অর্থবোধক রূপ শব্দ এবং শব্দের বিন্যাসে তৈরি বাক্য।

8.

. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) মুমুর্ষূ
খ) মূমূর্ষ
গ) মূমূর্ষু
ঘ) মুমূর্ষু
Note :

মুমূর্ষু বানানটি শুদ্ধ。বানান বিশ্লেষণ:

প্রথমে -এ হ্রস্ব উকার (মু)

মাঝে -এ দীর্ঘ উকার (মূ)

শেষে -এ রেফ এবং হ্রস্ব উকার (র্ষু)

9.

কান্নায় শোক কমে” বাক্যে “কান্নায়” কোন কারক?

ক) অপাদান কারক
খ) অধিকরণ কারক
গ) করণ কারক
ঘ) সম্প্রদান কারক
Note :

সঠিক উত্তর অধিকরণ কারক

যদি কোন ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য কোন ক্রিয়ার কোনরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ কারক বলে। ভাবাধিকরণ কারকে সবসময় সপ্তমী বিভক্তির (এ, য়, তে) প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়। যেমন: কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়। তাই এটি অধিকরণে সপ্তমী।

10.

সার্বভৌম' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?

ক) সার্ব+ভৌম
খ) সর্বভূমি+ ষ্ঞ
গ) সার্বভৌ+ ম
ঘ) ষ্ঞ+ সর্বভূমি
Note :

'সার্বভৌম' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সর্বভূমি + ষ্ণ। মূলত, বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তদ্ধিত প্রত্যয় (ষ্ণ) যোগে এই শব্দটি গঠিত হয়। 

11.

কোনটি শুদ্ধ বানান?,,

ক) আলস্যতা
খ) অলস্য
গ) আলস্য
ঘ) আলসতা
Note :

শুদ্ধ বানান  আলস্য।

12.

সন্ধি বিচ্ছেদ করুন- 'ক্ষুৎপিপাসা'

ক) ক্ষুৎ + পিসাসা
খ) ক্ষুধা + পিপাসা
গ) কোনোটিই নয়
ঘ) ক্ষুধ্ + পিপাসা
Note :

'ক্ষুৎপিপাসা' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ক্ষুধ্ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।  এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত। 'ধ'-এর পরে 'প' (অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি) থাকার কারণে 'ধ' পরিবর্তিত হয়ে 'ৎ' (ত-কার) বর্ণে পরিণত হয়।

13.

সকালে পাখিরা কিচিরমিচির করে। ইংরেজিতে-

ক) Birds cry at dawn
খ) Birds sing at dawn
গ) Birds twitter at dawn
ঘ) Birds shout at dawn
Note :

সঠিক উত্তর Birds twitter at dawn twitter শব্দের অর্থ হচ্ছে - পাখির কিচিরমিচির শব্দ। সুতরাং সঠিক উত্তর হচ্ছে - Birds twitter at dawn

14.

কোন বানানটি শুদ্ধ?.....

ক) পাসান
খ) পাসাণ
গ) পাষাণ
ঘ) পাশাণ
Note :

সঠিক বানান - পাষাণ। যার মানে নিষ্ঠুর, দয়ামায়াহীন।

15.

বরনের যোগ্য যিনি, বাক্যটিকে এক কথায় প্রকাশ করুন।

ক) বরেণ্য
খ) বীরপুরুষ
গ) বীর
ঘ) বরনীয়
Note :

বরণের যোগ্য যিনি— এই বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো বরেণ্য

16.

'রি রি করা ' দিয়ে কি প্রকাশ পায়?

ক) কড়া মেজাজ
খ) তীব্র মেজাজ
গ) তীব্র ক্রোধ
ঘ) তীব্র ব্যথা
Note :

‘রি রি’ ধ্বন্যাত্মক অব্যয় যার সাথে কর ধাতু যোগে রিরি করা একটি মিথষ্ক্রিয়া গঠিত হয়েছে যার দ্বারা তীব্র ক্রোধ, ঘৃণা প্রভৃতি অনুভূতি প্রকাশক শব্দ বোঝায়? 

17.

'সংলাপ' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) সমঃ + লাপ
খ) সম্ + লাপ
গ) সং + লাপ
ঘ) সং + আলাপ
Note :

সংলাপ' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: সম্ + লাপ। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত। নিয়মানুযায়ী, 'ম' (সম্)-এর পরে 'ল' (বা অন্য কোনো অন্তঃস্থ/উষ্ম বর্ণ) থাকলে 'ম' স্থানে অনুস্বার (ং) হয়ে যায়।

18.

কোন দুটি মূল স্বরধ্বনি নয়?

ক) ঐ, ঔ
খ) ঐ, অ
গ) আ, ঔ
ঘ) ই, ঔ
Note :

ঐ, ঔ দুটি মূল স্বরধ্বনি নয়।

বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। যথা - অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও। অপরদিকে বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫ টি। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বর জ্ঞাপক দুটি বর্ণ ঐ এবং ঔ।

19.

ধ্বনি হলো –

ক) ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ
খ) অর্থবোধক শব্দসমষ্টি
গ) ভাষার লিখিত রূপ
ঘ) বাক্যের লিখিত রূপ
Note :

মানুষের কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত আওয়াজ বা ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশ।  বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাবিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য  হলো:সংজ্ঞা: মুখ দিয়ে উচ্চারিত ভাষার ক্ষুদ্রতম বা মৌলিক এককই হলো ধ্বনি। ধ্বনি মূলত দুই প্রকার—স্বরধ্বনি (যেমন: অ, আ) এবং ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন: ক, খ)। বর্ণ: ধ্বনি হলো শোনার বিষয়। যখন এই ধ্বনিগুলোকে কোনো সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে লিখে প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বর্ণ বলে।

20.

'সূর্য' --এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক) শশাঙ্ক
খ) আদিত্য
গ) বিধু
ঘ) সুধাংশু
Note :

সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ- অর্ক, আদিত্য, তপন, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তন্ড, রবি, সবিতা, প্রভাকর, আফতাব ইত্যাদি। 

21.

একই সঙ্গে উচ্চারিত দুইটি মিলিত স্বরধ্বনিকে কি বলে?

ক) অনাসৃত স্বর
খ) একাক্ষর স্বর
গ) যৌগিক স্বর
ঘ) মৌলিক স্বর
Note :

পাশাপাশি দুটো স্বরধ্বনি এক প্রয়াসে ও দ্রুত উচ্চারিত হয়ে যদি একটি যুক্তধ্বনিতে রূপ নেয়, তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। যেমন : অ + ই = ঐ; অ + উ = ঔ
- যৌগিক স্বরধ্বনিকে "দ্বিস্বর বা সন্ধিস্বর বা যৌগিক স্বর " নামে অভিহিত করা হয়- বাংলা যৌগিক স্বরধ্বনি আসলে পৃথক বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত করা হয় দুটো (ঐ, ঔ)। এ ছাড়া আরাে তেইশটি যৌগিক স্বরধ্বনি আছে কিন্তু এদের জন্য পৃথক কোনাে বর্ণ নেই। অর্থাৎ বাংলা যৌগিক স্বরধ্বনি সাকুল্যে পঁচিশটি।

22.

ক্ষুধার্ত' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) ক্ষুধা + ঋত
খ) ক্ষুধ + আর্ত
গ) ক্ষুধা + রত
ঘ) ক্ষুধার + ত
Note :

'ক্ষুধার্ত' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ক্ষুধা + ঋত। 

23.

নীল আকাশের নিচে আমি "রাস্তা " চলেছি একা---বাক্যে উদ্ধত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্মে শূন্য
খ) করণে শূন্য
গ) অপাদানে শূন্য
ঘ) সম্প্রদানে শূন্য
Note :

‘করণ’ শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। কর্তা যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে ( উপকরণ - কলম )। ‘নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা।’ ( উপায় - রাস্তা )।

24.

আকাশ'এর সমার্থক শব্দ নয় ----

ক) গগন
খ) অন্তরীক্ষ
গ) অম্বর
ঘ) ভুবন
Note :

আকাশ' এর সমার্থক শব্দ - অম্বর, গগন, নভ, অন্তরীক্ষ। ভুবন এর সমার্থক শব্দ - বিশ্বজগৎ, পৃথিবী, আবাস, দেশ।

25.

ব্যাঙের সর্দি বলতে কি বোঝায়?

ক) রোগ বিশেষ
খ) অসম্ভব ঘটনা
গ) প্রতারণা
ঘ) সম্ভাব্য ঘটনা
Note :

"ব্যাঙের সর্দি" বলতে মূলত "অসম্ভব ঘটনা" বা অসম্ভব ব্যাপারকে বোঝানো হয়। যেহেতু ব্যাঙ উভচর এবং জলে-স্থলে বাস করে, তাই তাদের সর্দি লাগার বিষয়টি একটি অবাস্তব বা হাস্যকর কল্পনা হিসেবে ধরা হয়

26.

নিচের কোনটি যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন?

ক) আ
খ) ঔ
গ) উ
ঘ) ঊ
Note :

ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন বা প্রতীক। বাংলায় 'ঐ' এবং 'ঔ'—এই দুটিকে যৌগিক স্বরধ্বনি (বা দ্বিস্বর) বলা হয়। 'ঔ' মূলত দুটি স্বরধ্বনির মিলনে গঠিত হয়, যেমন: অ + উ

27.

নিচের কোনটি দ্বিগু সমাস?

ক) আপাদমস্তক
খ) রুই কাতলা
গ) একরোখা
ঘ) নবরত্ন
Note :

নবরত্ন হলো দ্বিগু সমাস。 

এর ব্যাসবাক্য হলো— 'নব রত্নের সমাহার'
বাংলা ব্যাকরণে সমাহার বা সমষ্টি অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে。

28.

চাঁদ দেখা যাচ্ছে'- এ বাক্যে কোন বাচ্যের প্রয়োগ ঘটেছে?

ক) ভাববাচ্য
খ) কর্মকর্তৃবাচ্য
গ) কর্তৃবাচ্য
ঘ) কর্মবাচ্য
Note :

কর্মকর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
- যে বাক্যে কর্মকারক কর্তার মতো প্রতীয়মান হয় অর্থ্যাৎ ক্রিয়ার কর্তার মনোযোগ ব্যতীত সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
- ফুল ফোটে।

উল্লেখ্য,
- সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনামূলক ক্রিয়ায় এই বাচ্যের প্রয়োগ দেখা যায়।

29.

'বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি' - এ বাক্যে 'গিয়ে' কোন ক্রিয়া?

ক) সমাপিকা
খ) দ্বিকর্মক
গ) প্রযোজক
ঘ) অসমাপিকা
Note :

অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের ভাবের পরিসমাপ্তি ঘটে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন প্রভাতে সূর্য উঠলে...। হাসান ভাত খেয়ে...। এখানে বাক্য দুটিতে সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশিত হয়নি। বাক্যগুলো সম্পূর্ণ হতে আরও শব্দের প্রয়োজন। যেমন: প্রভাতে সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হবে। হাসান ভাত খেয়ে ঘুমাতে যাবে।

30.

'আশ্চর্য' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

ক) অ + আর্চ
খ) অতি + চার্য
গ) আশ + চর্য
ঘ) আ + চর্য
Note :

'আশ্চর্য' এর সন্ধি বিচ্ছেদ - আ + চর্য।

যেসব সন্ধির নিদিষ্ট কোন নিয়ম নেই তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি বলে। তৎসম শব্দের সন্ধিতেই শুধু এই নিপাতন খাটে।

নিপাতনে সিদ্ধ তৎসম ব্যঞ্জনসন্ধি

আ + চর্য = আশ্চর্য, গো + পদ = গোষ্পদ, বন + পতি = বনস্পতি, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, তৎ + কর = তস্কর, পর + পর = পরস্পর, মনস + ঈষা = মনীষা, ষট + দশ = ষোড়শ, এক + দশ = একাদশ, পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি।

31.

'নাবিক'এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----

ক) নৌ + ইক
খ) ন + ইক
গ) নব + ইকা
ঘ) নবৌ + ইক
Note :

”নাবিক” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ নৌ + ইক।

এ, ঐ, ও, ঔ কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়। যেমন - নৌ + ইট = নাবিক, বৌ + অক = ভাবুক, গৈ + অক = গায়ক ইত্যাদি।

32.

'কাক নিদ্রা' শব্দটির অর্থ-

ক) কপটনিদ্রা
খ) অগভীর সতর্ক নিদ্রা
গ) কাকের নিদ্রার ন্যায়
ঘ) অনিষ্ট চিন্তা
Note :

"কাক নিদ্রা" একটি বাগধারা। প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - অগভীর সতর্ক নিদ্রা। যেমন : তার চোখে তো ঘুম নেই, তার তো কাক নিদ্রা।

33.

শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বলা হয় -

ক) ভাব
খ) পদ
গ) বর্ণ
ঘ) ধ্বনি
Note :

একটি ধ্বনি বা একাধিক ধ্বনি একত্রিত হয়ে যখন কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন সেই ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে। শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বলা হয় ধ্বনি।

34.

'রবীন্দ্র' এর সন্ধি বিচ্ছদ কোনটি?

ক) রবি +ইন্দ্র
খ) রবি + ঈন্দ্র
গ) রব + ইন্দ্র
ঘ) রবী +ইন্দ্র
Note :

সঠিক উত্তর রবি + ইন্দ্র

ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ - কার হয়। দীর্ঘ ঈ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - অতি + ত = অতীত, পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা, রবি + ই = রবীন্দ্র।

35.

বাংলা ছন্দ কত রকমের?

ক) এক রকমের
খ) দুই রকমের
গ) তিন রকমের
ঘ) চার রকমের
Note :

বাংলা ভাষায় ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত, স্বরবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত এই তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি সব সময় দুই মাত্রা হিসেবে উচ্চারিত হয়। পঙ্ক্তিতে পর্বগুলো সমান সংখ্যক মাত্রার হয়ে থাকে।
- স্বরবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি সব সময় একমাত্রার।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি শব্দপ্রান্তিক হলে দু’মাত্রার শব্দের মাঝে বা প্রথমাংশে থাকলে সাধারণত এক মাত্রার ধরা হয়।

36.

কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?

ক) ভূবন
খ) শূণ্য
গ) ত্রিভুজ
ঘ) পূন্য
Note :

সঠিক উত্তর ত্রিভুজ

প্রদত্ত অপশনে শুদ্ধ বানান ত্রিভুজ। শূণ্য, পূণ্য ও ভূবন বানান তিনটি অশুদ্ধ। এদের শুদ্ধরুপ যথাক্রমে শ্বন + য = শূন্য, পূ + উন্য = পুণ্য ও ও ভূ + অন = ভুবন । এই তিনটি শব্দই সংস্কুত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।

37.

কি "সাহসে" ওখানে গেলে? ---বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্তায় ৭মী
খ) কর্মে ৭মী
গ) করণে ৭মী
ঘ) অপাদানে ৭মী
Note :

কর্তা যা করে, অর্থাৎ যাকে আশ্রয় করেই কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যে সাহস কর্মকারক এবং 'এ' বিভক্তি যোগ হওয়ায় সপ্তমী বিভক্তি চিহ্ন। কাজেই সঠিক উত্তর কর্মের সপ্তমী।

38.

কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?

ক) আভাস
খ) অজানা
গ) গরমিল
ঘ) বেমালুম
Note :

অজানা খাঁটি বাংলা উপসর্গ।

খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

39.

'লোকটি যদিও ধনী, তবুও সে কৃপন' কোন ধরনের বাক্য?

ক) যৌগিক
খ) সরল
গ) জটিল
ঘ) খন্ড
Note :

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন- লোকটি যদিও ধনী, তবুও সে কৃপণ; যা অধ্যায়ন, তা ছাত্রদের তপস্যা। 

40.

নিচের কোনটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ নয়?

ক) বিড়ালচোখী
খ) মেনিমুখী
গ) হাতেখড়ি
ঘ) বেতার
Note :

সঠিক উত্তর বেতার। বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোনো অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে। যেমন: বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী, হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি , মেনিমুখো । বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ্ (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস কিরা হলে তাকে নঞ্ বহুব্রীহি বলে। যেমন: বে (নাই) তার = বেতার

41.

”অপরাহ্ন” নাটকটির রচয়িতা কে?

ক) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
খ) রাবেয়া খাতুন
গ) হুমায়ূন আহমেদ
ঘ) আব্দুল্লাহ আল মামুন
Note :

”অপরাহ্ন” নাটকটির রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ । এটি মূলত একটি জনপ্রিয় টেলিফিল্ম বা নাটক, যা ২০০৭ সালে মুক্তি পায় এবং এতে হুমায়ূন আহমেদের সাধারণ ঘরনার নাটকের ছাপ রয়েছে। 

42.

বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে?

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) ফোর্ট উইলিয়াম
গ) রজনীকান্ত
ঘ) চার্লস উইলকিন্স
Note :

ওয়ারেন হেস্টিংস এর অনুরোধে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড বাংলা ব্যাকরণের বই লিখার পর ছাপার যন্ত্র বা বাংলা মুদ্রণ হরফ না থাকায় হেস্টিংস তাঁর অধীনস্ত কর্মচারী চার্লস উইলকিন্সকে হরফ তৈরির নির্দেশ দেন ।উইলকিন্স পরে পঞ্চানন কর্মকারের সহায়তায় বাংলা মুদ্রণ হরফ তৈরি করেন।
- ১৭৭৮ সালে তিনি হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় ।

- তবে উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় (পর্তুগিজ ভাষার মুদ্রণযন্ত্র) ১৪৯৮ সালে।

- বাংলাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় রংপুরে ১৮৪৭ সালে । এর নাম 'বার্ত্তাবহ যন্ত্র' । ছাপাখানাটি থেকে প্রকাশিত হতো রংপুরের প্রথম সাময়িকপত্র 'রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ' । পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন শুরুচরণ রায় । 

- ঢাকায় ১৮৬০ সালে ‘ঢাকা প্রেস’ নামে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানা থেকে দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।

43.

"চোখ দিয়ে"জল পড়ে। ---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্মে ২য়া
খ) করণে ২য়া
গ) অপাদানে ৩য়া
ঘ) অধিকরণে ৩য়া
Note :

অপাদান কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াপদ ধরে কোথা থেকে কি থেকে কিসের থেকে এসব প্রশ্ন করতে হয় এবং তার উত্তরে অপাদান কারক জানতে পারা যায়। যেমন - চোখ দিয়ে জল পড়ে। কোথা থেকে বা দিয়ে - চোখ দিয়ে। কাজেই এটি অপাদান কারক এবং দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক বিভক্তি চিহ্ন থাকায় এটি তৃতীয় বিভক্তি।

44.

ধ্বনি উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে কী বলে?

ক) শ্বাসনালী
খ) গলনালি
গ) বাগযন্ত্র
ঘ) স্বরযন্ত্র
Note :

ধ্বনি উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ (যেমন- ফুসফুস, কণ্ঠনালি, স্বরতন্ত্রী, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ঠোঁট, নাক) সরাসরি জড়িত বা সাহায্য করে, সেগুলোকে একত্রে বাক্‌-প্রত্যঙ্গ (Speech Organs) বা বাগ্‌যন্ত্র বলা হয়

45.

কোনটি 'পৃথিবী' শব্দের সমার্থক শব্দ?

ক) বসুধা
খ) সবিতা
গ) মিহির
ঘ) ভূধর
Note :

পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ - বসুধা ,ধরা, ভুবন , বসুন্ধরা ,ভু , অবনী , মহী , জগত , দুনিয়া ,বিশ্ব । পর্বতের সমার্থক শব্দ - মহীধর , পাহাড় , গিরি, অচল , শৈল , অদ্রি ,নগ । সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ - সবিতা , দিনমণি , মিহির ,দিবাকর,আফতাব , ভানু , দীনেশ , ভাস্কর , দিবাবাসু ।

46.

যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন - এক কথায় কি বলে ?

ক) স্মার্ত
খ) স্নায়ুক
গ) নির্ভয়
ঘ) শাস্ত্রজ্ঞ
Note :

সঠিক উত্তর স্মার্ত৷ স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ। স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার। যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন = স্মার্ত।

47.

. কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) Accession
খ) Accesion
গ) Acession
ঘ) Acsesion
Note :

শুদ্ধ বানানটি হলো Accession 

48.

গুণহীনে ত্যাগ কর। -বাক্যে ”গুণহীনে” কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্মে ৭মী
খ) অধিকরণে ৭মী
গ) সম্প্রদানে ৭মী
ঘ) অপাদানে ৭মী
Note :

সঠিক উত্তরটি হলো: কর্মে ৭মী।
ব্যাখ্যা:
১. কারক নির্ণয়: বাক্যটির ক্রিয়াপদ হলো 'ত্যাগ কর'। ক্রিয়াপদকে 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক (যদি স্বত্ব ত্যাগ করে দান না বোঝায়)।
প্রশ্ন: কাকে ত্যাগ কর?
উত্তর: গুণহীনে (গুণহীন ব্যক্তিকে)।
সুতরাং, এটি কর্ম কারক।
২. বিভক্তি নির্ণয়: মূল শব্দ 'গুণহীন'-এর সঙ্গে 'এ' (গুণহীন + এ = গুণহীনে) বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'এ' হলো ৭মী বিভক্তি।
তাই, 'গুণহীনে' পদটি কর্মে ৭মী বিভক্তি।

49.

কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) নিরহংকারী
খ) নিরহংকার
গ) নিরহংকারি
ঘ) নিঃহংকারী
Note :

- সঠিক বানান 'নিরহংকার'।
- "নিরহংকার" শব্দটি একটি বিশেষণ। এর অর্থ হলো "অহংকারহীন, অহংকারশূন্য।"
- এই শব্দটিতে "অ" একটি কৃৎ প্রত্যয়, যা অভাব বোঝায়। "হংকার" একটি মূল শব্দ, যার অর্থ হলো "অহংকার।"

50.

কোন শব্দটি ভুল?

ক) মরূদ্যান
খ) কটূক্তি
গ) পরিপক্ক
ঘ) অঞ্জলি
Note :

পরিপক্ক শব্দটি অশুদ্ধ 

You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade